বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

৭৪ বছর পর দুই ভাইয়ের পুনর্মিলনের গল্প কাঁদালো ভারত ও পাকিস্তানকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৭৪ বছর ধরে দুই ভাই একে অপরের অবস্থান সম্পর্কে বা অন্যজন এখনও জীবিত আছেন কিনা সে সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। অবশেষে পাকিস্তান-ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল পাঞ্জাবি লেহারের একটি ভিডিও তাদের পুনর্মিলন ঘটিয়ে দেয়।

৭৪ বছর বিচ্ছেদে থাকা দুই ভাই একে অপরকে ছুঁয়ে দেখলেন। জড়িয়ে ধরলেন। মশগুল হলেন ছোটবেলার গল্পে। ভারত ও পাকিস্তানের কাঁটা তারের বেড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়েছেন বহু মানুষ। বিচ্ছিন্ন হয়েছেন বহু ভাই। এমনই দুই ভাই সিদ্দিক ও হাবিব। যে দুইভাইকে বিচ্ছিন্ন করেছিল ১৯৪৭ সালের দেশভাগ।

পাঞ্জাবি লেহার নামের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলটি চালান নাসির ঢিলন এবং লাভলি সিং নামের দুই ব্যক্তি। ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে ভাগ হয়ে যাওয়া দুই পাঞ্জাবের পরিবারগুলোর পুনর্মিলনে কাজ করেন তারা।

বর্তমানে সিদ্দিক পাকিস্তানের ফৈজলাবাদের বাসিন্দা। আর হাবিব থাকেন ভারতের পাঞ্জাবের ফুল্লানওয়ালে। দুই ভাই ৭৪ বছর পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন কার্তারপুর করিডরে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানের গুরু দরবার সাহিবে এই মিলন দৃশ্য ততক্ষণে আনন্দাশ্রু এনে দিয়েছে বহুজনের চোখে।

জানা যায়, দেশভাগ যখন হয়েছিল, তখন সিদ্দিক খুবই ছোট। সে পাকিস্তানে বড় হতে থাকে। আর বাবার সঙ্গে ভারতের বুকে বেড়ে উঠতে থাকে বড় ভাই হাবিব। ফের একবার ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করে উচ্ছ্বসিত হাবিব ফিরে যান ছোটবেলার কথায়। প্রবীণ এই ভারতীয় প্রশংসা করেন এমন মিলনের নেপথ্যে থাকা উদ্যোগের।

ভাইকে জানান, এই করিডর দিয়েই ফের তারা দেখা করবেন। দুই ভাই ভারত ও পাকিস্তানের সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ভিসাহীনভাবে এই সাক্ষাতে পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনকেও স্বাগত জানান হাবিব।

২০১৯ সালে ৪.৭ কিলোমিটারের কার্তারপুর করিডরকে ফের একবার খুলে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর করোনার কারণে সেই রাস্তা বন্ধ হয়। আর সেই কার্তারপুরই সাক্ষী রইল এক বিরল দৃশ্যের। যে ভারত-পাক সীমান্ত, বহু রক্তস্নাত অধ্যায়, বহু বিচ্ছেদের আর্তনাদের সাক্ষী, সেই সীমান্তেই আবারও পুর্নমিলনের আনন্দাশ্রু ঝরে পড়ল।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ