বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিহারের পাটনা থেকে আসামের গৌহাটিগামী ১৫৬৩৩ আপ বিকানের-গৌহাটি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, অন্তত ১০০ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আহতের সংখ্যা অনেক। এমন কি নিহতের সংখ্যাও আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। এছাড়া দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে এককালীন ৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় রেল।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিহারের পাটনা থেকে আসামের গোহাটিগামী বিকানের-গৌহাটি এক্সপ্রেস ময়নাগুড়ির দোমাহনি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রেনটির ৪-৫টি কামরা একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

একটি কামরার ওপরে উঠে যায় আরেকটি কামরা। ট্রেনের একটি কামরা পানিতেও পড়ে যায়। ট্রেনটির ইঞ্জিনের পর থেকে ১২টি কামরা দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি কামরার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে জানায় তারা। ওই ট্রেনটি ছাড়ার সময় তাতে প্রায় ৭০০ যাত্রী ছিলেন। পরে বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রীরা নামা-ওঠা করেন।

দুর্ঘটনার পরে রেললাইনের দুইপাশে যাত্রীদের ছড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আনন্দবাজার জানিয়েছে রাতভর উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। ভোরের ঘন কুয়াশাতেও উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন ভারতের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, বিএসএফ সদস্যরা।

দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া এবং লাইনের পাশে উল্টে থাকা কামরা থেকে প্রাণের সন্ধান চলছে। বহু মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

আহতদের মধ্যে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ৩৬ জনের চিকিৎসা চলেছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে গেছেন ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেখানে পৌঁছে তিনি বলেন, 'খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি নিজে এখানে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছি। তদন্তও শুরু হয়েছে। যারা মারা গিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। আমি এখানে এসেছি এই দুর্ঘটনার মূল কারণ জানার জন্য।'

এদিকে কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটল, কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল কি না, রেললাইনে কোনও সমস্যা ছিল কি না তার জন্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেলের জেনারেল ম্যানেজার আনসুল গুপ্তা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ