বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সমঝোতা চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখান যুক্তরাষ্ট্রের এআই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে চাকরির বাজারে পতন, ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল চীনে শাপলা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দায় অস্বীকার করল মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপা সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৩ শিশুর মৃত্যু সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রীমঙ্গলের পথে যাত্রা স্বপ্নে জীবিত দেখে মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খনন, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ‘দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইনসাফভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ার সময় এখনই’ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি  ‘ডিএনসিসি’র হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা: আয়োজক ও প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৮৪ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি

হিলি বন্দরে কেজিতে ১২ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দুর্গাপূজার ৬ দিন বন্ধ শেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে।

আমদানি চালুর সঙ্গে সঙ্গে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১২ টাকার মতো দাম কমেছে।

বন্ধের আগে বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪৮ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কমায় খুশি বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা।

ব্যবসায়ী মিরাজুল ইসলাম ও সিরাজ উদ্দিন বলেন, আমরা হিলি থেকে পেঁয়াজ কিনে দেশেরে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতাম। পূজার বন্ধের আগে কিনেছি ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। এবার আমদানি শুরু হওয়ায় সেই পেঁয়াজের দাম কমে ৩৬ টাকায় নেমেছে।

আরও বলেন, আগে দাম বেশি থাকার কারণে আমাদের পুঁজি যেমন বেশি লাগতো তেমনি পেঁয়াজের বেচাকেনাও কমে গিয়েছিল, ছিল লোকসানের আশঙ্কা। আগে বাড়তি দামে মোকামগুলোতে পেঁয়াজ পাঠানো হয়েছিল সেই পেঁয়াজ গুদামে এখনো মজুত রয়েছে। যার কারণে নতুন করে পেঁয়াজের চাহিদা দিচ্ছে না তারা। তবে এখন দাম কমায় আমাদের বেশ সুবিধা হয়েছে। মনে হয় পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।

আমদানিকারক মাহফুজার রহমান ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। তবে দাম কমার মূল কারণ হলো যেহেতু সরকার পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে এতে করে কেজি প্রতি ২ টাকার মতো শুল্ক কমেছে। এর ওপর মিয়ানমার থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।

আরও বলেন, বিভিন্ন মোকামে আগের আমদানি করা পেঁয়াজে গুদাম ঠাসা, পূজার বন্ধের মধ্যে বেচাকেনা একেবারেই ছিল না। বিক্রি না থাকায় ও প্রচণ্ড গরমের কারণে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, অনেকে বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর কারণে মোকামগুলোতে কোন চাহিদা না থাকায় বন্দরে পেঁয়াজের ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।

এর ওপর পূজার বন্ধ শেষে সরবরাহ বাড়ায় ও ক্রেতা সংকটের কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে। সামনের দিনে নতুন পাতা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে এতে করে দাম আরও কমবে। এ ছাড়া দেশীয় পেঁয়াজের চেয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম সব সময় কেজি প্রতি ১০ টাকার মতো কম থাকে, না হলে এই পেঁয়াজ খাবে না।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ৬ দিন বন্ধের পর রবিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। গতকাল বন্দর দিয়ে ১৭টি ট্রাকে ৪৭৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, যা দ্রততার সঙ্গে খালাস করে আমদানিকারকদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। তবে আজও বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ