শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিলের রিট খারিজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল করে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মুহা. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত বলেছেন, যদি কোনো শিক্ষার্থী তার ফলাফল ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে মনে করেন তবে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। মন্ত্রণালয় সাতদিনের মধ্যে তা খতিয়ে দেখে সমাধান করবে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ১৯ মে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে তা সংশোধন সাপেক্ষে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করে সারাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন ৩২৪ জন পরীক্ষার্থী।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পরীক্ষার্থীদের পক্ষে রিট আবেদনটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাওছার।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের।

এর আগে গত ১২ মে এ বিষয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। জবাব না পেয়ে রিট আবেদন করা হয়।

গত ৪ এপ্রিল ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। জাতীয় মেধার ভিত্তিতে সরকারি ৩৭টি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য চার হাজার ৩৫০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন উত্তীর্ণ হন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩৯.৮৬ শতাংশ।

মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় অন্তত দুটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তরপত্রে দুটি করে সঠিক উত্তর ছিল। পাশাপাশি অন্তত তিনটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর ছিল না। প্রকাশিত ওই পরীক্ষার ফলাফলে অসংখ্য ভুল এবং বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। ত্রুটি ও অসংগতি রেখে মেধা তালিকা প্রণয়ন করার ফলে অনেক যোগ্য ও মেধাবী পরীক্ষার্থী মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। এজন্য রিট দায়ের করেছি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ