মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধে আইন করার এখতিয়ার কারো নেই’ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার আহ্বান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের জেলা ও মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সৌদির কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে হুতিদের ভয়াবহ হামলা  শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী ‘আদালতের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ জুলাই চেতনার পরিপন্থী’ ব্রিটিশ বাংলাদেশি মুসলিমদের প্রশংসা দ্য ইকোনমিস্টের ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজর ৭৩৩ ‘জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না’  ‘মুমিনের অন্তরে নবীজির জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে’

ভারতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদেশে ভ্যাকসিন: সিরামকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আইনি নোটিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিদেশে ভ্যাকসিন সরবরাহে দেরি হওয়ায় ভারতের ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটির ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য সিরামের উপর নির্ভর করছে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশ। এদিকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে ভারত সরকার। ভারতকে প্রাধান্য দিয়ে তারপর বিদেশে ভ্যাকসিন পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। এ নিয়েই তৈরি হয়েছে সমস্যা।

ভারতের সংবাদমাধ্যমে সিরামের প্রধান আদর পুনাওয়ালা বলেছেন, ‘ভারত সরকার এই আইনি নোটিশের বিষয়ে বিস্তারিত জানে। এটি গোপন একটি নোটিস, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। তবে সরকারের সাহায্যে আইনি জটিলতা কাটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভারতে সরবরাহের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণেই অন্য দেশে সরবরাহে দেরি হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’

আদর জানিয়েছেন, প্রতি মাসে ছয় কোটি থেকে সড়ে ছয় কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে সিরাম। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ভ্যাকসিন ভারতে সরবরাহ করেছে আর ছয় কোটি ভ্যাকসিন বিদেশে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতকে প্রাধান্য দেয়ার ফলে ভ্যাকসিনে ঘাটতি পড়ার বিষয়টি অন্য দেশগুলোকে বোঝানো সমস্যাজনক। এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যদি উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হয়, তাহলে আরও প্রায় তিন হাজার কোটি রুপির বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু ভারতে সরকারকে ভর্তুকিতে ভ্যাকসিন বিক্রি করতে হচ্ছে, এতে দাম পড়ছে ১৫০ থেকে ১৬০ রুপি। অন্য দিকে বিদেশে এই ভ্যাকসিন বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার রুপিতে।

আদরের বক্তব্য, প্রতি ভ্যাকসিনে সামান্য লাভ করে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এই বিপুল বিনিয়োগ জোগাড় করা সম্ভব নয়। সে কারণে হয় ঋণ করতে হবে অথবা বড় কোনও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই একমাত্র উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

মজুত থাকা করোনা ভ্যাকসিন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে ভারতের বেশ কিছু রাজ্য সম্প্রতি অভিযোগ করেছে। ভ্যাকসিন প্রয়োগে ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে বুধবার জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে। বুধবার রাতে রাজ্যের সাতারা জেলায় ভ্যাকসিনের ডোজ শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ৩ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে ভ্যাকসিন প্রয়োগ।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ