মোস্তফা ওয়াদুদ: গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে ঐতিহাসিক চরমোনাই’র ফাল্গুনের ৩দিন ব্যাপী মাহফিল। চরমোনাই মাহফিল সারাদেশে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মাহফিলে লক্ষ লক্ষ আশেকীন জাকেরীনদের উপস্থিতি, আগত মুসুল্লিদের উদ্দেশে তাদের বয়ান-বক্তৃতা সবকিছুই মন কেঁড়ে নিয়েছিল জনসাধারণের।
বেশ আলোচিত এ মাহফিলে বক্তব্য রেখেছিলেন দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুফতি মুহাম্মদ রেজাউল করিম, নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল করিম, হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদীসহ জনপ্রিয় শীর্ষ আলেমগণ। বক্তব্য রেখেছিলেন শায়খ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদও।
মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ দেওবন্দের সাথে সম্পর্কিত কওমি মাদরাসার ভিতর বাহির সবাইকে উদ্দেশ্য করে তার বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আপনারা চরমোনাই ময়দানে আসেন বা না আসেন কিন্তু বিরোধিতা করবেন না, যদি বিরোধিতা করেন তাহলে ঈমান থাকবে না’। একজন আলেমের মুখে এমন বক্তব্য বেশ আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছিলো। তোলপাড় শুরু হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
দেশব্যাপী তৈরি হওয়া সমালোচনা-নজর এড়াতে পারেনি প্রাজ্ঞ মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদকেও। তাই তিনি ভক্তবৃন্দের উদ্দেশে সম্প্রতি এ বক্তব্যের ওয়াজহাত পেশ করেছেন। তুলে ধরেছেন নিজের অবস্থান। একটি ভিডিও ক্লিপের সূত্র ধরে আমরা তার এ ওয়াজাহাত জানতে পেরেছি। এরপরই আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি একজন সাংবাদিকের কাছে এ বিষয়ে একটি ওয়াজাহাত পেশ করেছিলাম।
আওয়ার ইসলামের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি চরমোনাইর ময়দানে ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে যে বক্তব্য রেখেছি সেটি মাত্র তিন মিনিটের ছিল। সে বক্তব্যে আমি ‘বিরোধিতা করলে ঈমান থাকবে না’ বলে যে কথা বুঝিয়েছি-সেটি ছিল এমন, আমাদের সমাজের একটি ফেরকা বা দল আছে, যারা চরমোনাইয়ের কিছু আকিদাকে শিরক সাব্যস্ত করে চরমোনাইয়ের সমর্থকদেরকে মুশরিক বানাতে চায়। আহলে হাদীসসহ যারাই চরমোনাইকে মুশরিক বানাতে চায়, ‘ঈমান থাকবে না’ মর্মে সে সময়ের বক্তব্যে আমার অন্তরে তাদের কথা উদ্দেশ্য ছিল।’
তিনি বলেন, ‘কেননা যাদের আমলের à¦