শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬ ।। ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যাঁরা ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকিস্তান বেফাকের সভাপতি হলেন মুফতি তাকী উসমানী জুলাই জোটের সভাপতি মাবরুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক জামিল সিদ্দিকী ‘পবিত্র কালেমার অবমাননা ও ভূরাজনৈতিক বিভ্রান্তি এড়াতে সচেতন হোন’  ‘বিশুদ্ধ আকিদা ছাড়া ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সম্ভব নয়’ তুরস্ক ও মিশরে যাচ্ছেন মাওলানা মাহফুজুল হকসহ ‘টিম হাফেজ্জী’ সংস্কার ও বিচারের দাবি অপূর্ণ থাকা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি: পীর সাহেব চরমোনাই হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৯ মোহাম্মদপুরে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম বোর্ডে অনুপস্থিত ১ হাজার ৩৪০ পরীক্ষার্থী

মাংস থেকে ‘হালাল’ শব্দ বাদ ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গরু-মহিষসহ সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত রেড মিট ম্যানুয়াল থেকে হালাল শব্দটি বাদ দিয়েছে ভারত। কয়েকটি হিন্দু সংগঠন অভিযোগ করেছে, হালাল শব্দটি মুসলমান রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়ে অবৈধ সুবিধে দিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষীতে ওই শব্দটি সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

ভারতের এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এপিইডিএ) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে ম্যানুয়েলে পরিবর্তন এনেছে। তাদের পরিবর্তিত সংস্করণে বলা হয়েছে, আমদানিকারী দেশ বা আমদানিকারীর চাহিদা মেনে পশুদের জবাই করা হয়েছে। আগের সংস্করণে লেখা ছিল, ইসলামিক দেশগুলোর চাহিদায় কঠোরভাবে মেনে পশুদের হালাল পদ্ধতিতে জবাই করা হয়েছে।

হালাল নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বেশ কিছুদিন ধরে সরব হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এপিইডিএ’র ম্যানুয়েলে হালাল শব্দের ব্যবহারের অর্থ, আমদানিকারীদের শুধু হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংস নিতে বাধ্য করা। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাদের বক্তব্য।

তাদের বক্তব্য, শুধু পশ্চিম এশিয়ার ইসলামি দেশগুলোতে নয়, চীনেও মাংস রপ্তানি করে ভারত। সেখানে হালাল সার্টিফিকেট জরুরি নয়। শ্রীলঙ্কাতেও মাংস সরবরাহ করে ভারত। সেখানেও হালাল সার্টিফিকেশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও আমদানির জন্য মাংসের সঙ্গে হালাল শব্দের ব্যবহার প্রয়োজন নেই।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ