বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

মাংস থেকে ‘হালাল’ শব্দ বাদ ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গরু-মহিষসহ সব ধরনের প্রক্রিয়াজাত রেড মিট ম্যানুয়াল থেকে হালাল শব্দটি বাদ দিয়েছে ভারত। কয়েকটি হিন্দু সংগঠন অভিযোগ করেছে, হালাল শব্দটি মুসলমান রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়ে অবৈধ সুবিধে দিচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষীতে ওই শব্দটি সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

ভারতের এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এপিইডিএ) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে ম্যানুয়েলে পরিবর্তন এনেছে। তাদের পরিবর্তিত সংস্করণে বলা হয়েছে, আমদানিকারী দেশ বা আমদানিকারীর চাহিদা মেনে পশুদের জবাই করা হয়েছে। আগের সংস্করণে লেখা ছিল, ইসলামিক দেশগুলোর চাহিদায় কঠোরভাবে মেনে পশুদের হালাল পদ্ধতিতে জবাই করা হয়েছে।

হালাল নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলো বেশ কিছুদিন ধরে সরব হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন, এপিইডিএ’র ম্যানুয়েলে হালাল শব্দের ব্যবহারের অর্থ, আমদানিকারীদের শুধু হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংস নিতে বাধ্য করা। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তাদের বক্তব্য।

তাদের বক্তব্য, শুধু পশ্চিম এশিয়ার ইসলামি দেশগুলোতে নয়, চীনেও মাংস রপ্তানি করে ভারত। সেখানে হালাল সার্টিফিকেট জরুরি নয়। শ্রীলঙ্কাতেও মাংস সরবরাহ করে ভারত। সেখানেও হালাল সার্টিফিকেশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও আমদানির জন্য মাংসের সঙ্গে হালাল শব্দের ব্যবহার প্রয়োজন নেই।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ