শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করুন’ প্রয়োজনে ঢাকার রাজপথে সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: আমিরে মজলিস সারা আলি খানকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান ধর্মীয় নেতার  শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা বাস্তবায়নে পাশে থাকবে সরকার: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী  ইলমের পথে জ্ঞানার্জনের সিদ্ধান্ত  অকৃতকার্য বিষয়ে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী মিরপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার নিম্নমুখী, ফেল বেড়েছে ৮৫ হাজার ‘শিক্ষাব্যবস্থায় বিতর্কিত মতাদর্শ নয়, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের সুরক্ষা চাই’ বরুণা থেকে সোহরাওয়ার্দী: মাকবুলিয়াতের এক অনন্য নজির

চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি বিএনপির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দেশের ৬টি চিনিকল বন্ধ এবং ৩টি বন্ধের নোটিশ প্রদান করায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চিনিকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে চিনিকলগুলো খুলে দিয়ে আখমাড়াই শুরু করার জোর দাবি জানান তিনি।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, চিনিকল বন্ধে সরকারের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে লাখ লাখ আখচাষি এবং হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী চরম বিপাকে পড়েছে। সৃষ্টি হয়েছে হতাশা এবং অনিশ্চয়তা। বেকার হবে শ্রমিক কর্মচারীরা। সরকারের এই অমানবিক ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্তে আখচাষিসহ চিনি কলে খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে বাজারে চিনির সংকটও সৃষ্টি হবে।

বিবৃতিতে ফখরুল বলেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে চিনিকলগুলোকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সরকার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে। চিনিকল সমূহে পরিচালনা পরিষদে ক্ষমতাসীন দলের এমপি ও নেতাকর্মীদের সংযুক্ত করে তাদের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লুটপাট ও দুর্নীতি করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এই সকল চিনিকলগুলোতে চিনি, চিটা গুড় এবং যন্ত্রপাতি বিক্রয়ের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে কম মূল্যে তারা নিজেরাই ক্রয় করে নিচ্ছে। চিনিকলগুলোতে ইচ্ছেমতো দলীয় লোকদের মাস্টাররোলে চাকুরীর নামে কোনো কাজ না করিয়ে বেতন-ভাতা দিচ্ছে। যার ফলে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, কল বন্ধের মাধ্যমে চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ভারত থেকে নিম্ন মানের চিনি আমদানি করে বাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনগণ। আখ চাষিরা আখ উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে। এই চিনিকল কেন্দ্রিক অঞ্চলগুলোতে সাধারণ মানুষসহ কৃষকের প্রধান শস্য আখ। আখ চাষের এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এই চিনিকলগুলোকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হয়ে থাকে। সরকারের এই ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত তৃণমূলের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে।

ফখরুল বলেন, আখ চাষের এলাকাগুলোতে বর্তমানে লাখ লাখ একর জমিতে আখ দণ্ডায়মান। ঠিক যেই মুহূর্তে কৃষকরা আখ কাটবে, সেই মুহূর্তে সরকারের এই হঠকারী সি