বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

পরীক্ষার রিপোর্টে মৃত ডাক্তারের সই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মৃত চিকিৎসক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান নামে সই দিয়ে মাসের পর মাস রোগীদের দেয়া হতো ভুয়া রিপোর্ট। দশ বছর ধরে থাইরয়েড, হেপাটাইটিসের মতো পরীক্ষার ল্যাব পরিচালনা করলেও ছিল না কোনো সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি। রাজধানীর শ্যামলীতে হাইপোথাইরয়েড সেন্টার নামে একটি ল্যাবে অভিযানে বেরিয়ে আসে অনিয়মের এ ভয়াবহ চিত্র।

আজ শনিবার সকালে শ্যামলীর ১ নম্বর রোডের ২/১ অনিক ভিলার তিন তালায় অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়ম চিত্র পায় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বধীন একটি দল।

এসময় নানা অনিয়মের অভিযোগে দুই জনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছে র্যা ব। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- সোহেল রানা ও মো. রাসেল।

রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন অধ্যাপক মনিরুজ্জামান। তিনি মারা গেছেন ছয় আগে অর্থাৎ গত মে মাসে। কর্মচারীরা দায় স্বীকার করে বললেন, রিপোর্ট দেয়া হতো অনুমানের ওপর।

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, হাইপোথাইরয়েড সম্পর্কিত হরমনাল টেস্টের জালিয়াতির দায়ে হাইপো থাইরয়েড সেন্টারের দুই কর্মচারীকে দুই বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাইপোথাইরয়েড সেন্টারটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা করার আগেই খালি প্যাডে চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা অসংখ্য ভুয়া রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এছাড়া একজন মৃত ডাক্তার মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষর ব্যবহার করে ল্যাব রিপোর্ট দেয়া হতো। আরো ভয়াবহ তথ্য হলো অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্টে স্বাক্ষর করতেন ডাক্তারের ড্রাইভার। মালিক আব্দুল বাকের পলাতক। মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনে মামলা হবে।

এদিকে, স্থায়ী টেকনোলজিস্ট না থাকায় মোহাম্মদপুর বাবর রোডের সন্ধী ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে আনায় রাজিব ও মাইদুলকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ