মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
অনুমোদনহীন ডিগ্রি, তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ ২২০ আসনে লড়বে জামায়াত, বাকিগুলো শরিকদের ‘যারা বলে শরিয়া কায়েম করবে না শরিকদের উচিত তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা’ দুই পদে জনবল নেবে জামিয়া মাদানিয়া দারুল উলুম ঢাকা কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির আবুল হাশেমের দাফন সম্পন্ন রাজধানীর জামিয়া দারুস সুন্নাহ ক্বাওমিয়া মাদরাসায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গাজায় ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ভাইরাস, ভেঙে পড়ার মুখে স্বাস্থ্যব্যবস্থা কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, ৪০০ ঘর পুড়ে ছাই একমাত্র বিএনপির কাছেই ইসলাম নিরাপদ: দুলু ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় রোডম্যাপ প্রকাশ

মুসলিমদের আটক করতে গোপনে শত শত বন্দিশালা নির্মাণ করেছে চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সংখ্যালঘু মুসলিমদের বন্দি করে রাখতে গোপনে শত শত বন্দিশালা ও ক্যাম্প নির্মাণ করেছে চীন।

গত বৃহস্পতিবারের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন বছর ধরে গোপনে এসব বন্দিশালা তৈরি করছে চীন। বন্দীশালাগুলো উচ্চ সুরক্ষা সম্পন্ন। কিছু কিছু বন্দীশালার ধারণক্ষমতা ১০ হাজারের বেশি।

ওইসব বন্দীশালায় অস্থায়ীভাবে দেশটির পাবলিক ভবনগুলোতে বন্দি করে রাখা মুসলিমদের স্থানান্তর করার ইঙ্গিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ এবং পূর্বে চীনের বন্দিশিবিরে আটককৃতদের সাক্ষাতকারের বরাতে বাজফিড নিউজ, ২০১৭ সালের পর থেকে চীন ২৬০ টির বেশি কাঠামো নির্মাণ করেছে তা শনাক্ত করেছে।

এছাড়া মুসলিমদের বন্দি করে রাখার জন্য আরো অনেক বন্দি শালার নির্মাণ কাজ চলছে। চীনের বন্দীশালা থেকে পালিয়ে আসা অনেকের মুখে উথে এসেছে ভয়ানক বর্ণনা। হেনিশান বারডিবেক (৪৯) যিনি একসময় চীনের তাচেং অঞ্চলে বন্দি ছিলেন, তিনি বাজফিডকে বলেন, সেখানে লোকেরা ভয়ানকভাবে জীবনযাপন করছে।

তিনি আরও বলেন, কিছু তরুণ আমাদের মত সহনশীল নয়- তা কেঁদেছে, চিৎকার করেছে। যুবতী মেয়েদের নির্জন কারাবাসে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়, তাদের ভাষ্য ছিল তারা সেখানেই মা'রা যেতে যায়। অরিনবেক ককসেবেক যিনি একজন সংখ্যালঘু কাজাখ তিনি ২০১৭ সালের শেষের দিকে চীনা শাসকের বন্দীশিবিরে আটক হন। তিনি বলেন, প্রথমে তিনি একটি রুমে সাত জন থাকতেন এরপর প্রতি মাসে আরো অনেকে আসতে থাকে এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়।

কোকসেবেক আরো বলেন, সেখানকার অবস্থা ছিল দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত। এর আগে ২০১৮ সালের জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়, কট্টরপন্থী স'ন্দেহে ১০ লাখ চীনা উইঘুর মুসলিমকে বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে আট'কে রাখা হয়েছে। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ