শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ।। ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী এবার আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প দুইদিনের সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইলমের সঙ্গে জীবনের দক্ষতা: কওমি শিক্ষার সামনে নতুন বাস্তবতা ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব কে এই গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজ ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন লেবাননের বাসিন্দারা বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী দারুল উলুম দেওবন্দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষায় কয়েকটি প্রস্তাব হিফজখানার ছাত্র শরীফ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ

নির্ধারিত দিনেই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মার্চ মাসের ১৭ তারিখেই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, বড় গণজমায়েত না হলেও অনুষ্ঠানে কিছুটা নতুনত্ব আনা হয়েছে। ওইদিন মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান ভিডিওর মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে সংযোগ থাকবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘মুজিববর্ষ বাস্তবায়ন আন্তর্জাতিক উপকমিটির’ সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত দিনেই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান হবে। সেই ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। ওই দিন বড় কোনো গণজমায়েতের চিন্তা নেই, তবে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সঙ্গে অনুষ্ঠানের সংযোগ থাকবে। আমাদের অনুষ্ঠানের মধ্যে আরও ছিল ২২ ও ২৩ মার্চ সংসদে বিশেষ অধিবেশন, ২০ মার্চ শিশুদের সংগীত, ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চ অতিথিদের নিয়ে অনুষ্ঠান। সবগুলোই হবে, তবে জনসমাগম এড়িয়ে।

আব্দুল মোমেন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা চেয়েছিলেন মুজিবশতবর্ষ উদযাপন হোক, আমরাও ভক্ত হিসেবে চেয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের কথা বিবেচনা করে গণজমায়েতের পরিবর্তে অনুষ্ঠানের সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। আমরা বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে, তারাও চিঠির জবাব দিয়েছেন। পরিবেশ ভালো হলে আগামীতে বড় অনুষ্ঠান করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বে করোনা ভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের মন্ত্রণালয় দেশ সফর সীমিত করেছে। এছাড়া আমরা ছয়টি দেশের (চীন, ইরান, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড) ব্যাপারে বিশেষ নজর রাখছি। ওইসব দেশে থেকে আমাদের দেশে আসতে মেডিকেল টেস্ট করাতে বলেছি, খুব জরুরি না হলে প্রবাসীদের দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ