বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


গ্যাস দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তিতাসের সচেতনতা ও সতর্কতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গ্যাসজনিত দুর্ঘটনা-বিস্ফোরণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সতর্কতা জারি করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। তিতাসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের অন্যতম কারণ, আবদ্ধ স্থানে গ্যাস জমা হওয়া। প্রাকৃতিক গ্যাস ছাড়াও ওয়াসার স্যুয়ারেজ লাইনের বর্জ্যের কারণে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অগ্নি দুর্ঘটনা ও বিস্ফোরণের অন্যতম কারণ। বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক, সামনের রাস্তায় ম্যানহোলের ঢাকনাটিতে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা আছে কি-না সর্তকতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশেষ করে স্যুয়ারেজ লাইনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত টয়লেটের পাইপের মাধ্যমে স্যুয়ারেজের বর্জ্য উৎপাদিত বায়োগ্যাস আবদ্ধ ঘরে জমা হতে পারে। আবদ্ধ এলাকা-ঘরের ভেতর তিতাস গ্যাসের লাইনে লিকেজ না থাকলেও শুধুমাত্র স্যুয়ারেজ লাইনে উৎপাদিত বায়োগ্যাসের সংস্পর্শে বৈদ্যুতিক পার্ক-দিয়াশলাইয়ের অগ্নি ফুলিঙ্গ অথবা চাপ ও তাপের প্রভাবে বড় ধরনের বিস্ফোরণ সৃষ্টি হয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এ অবস্থায় করণীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়, বাসা-বাড়িতে-আবদ্ধ এলাকায় প্রথম অবস্থাতেই গ্যাসের চুলা না জ্বালিয়ে, কিংবা বৈদ্যুতিক বাতি-ফ্যান না চালিয়ে, আবদ্ধ স্থানের দরজা জানালা খুলে দিয়ে স্বাভাবিক বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।

চুলা জ্বালানোর পূর্বে চুলার নব-বাটন-হুসপাইপ অথবা পিতলের চাবি ইত্যাদিতে কোনো গ্যাস লিকেজ আছে কি না পরীক্ষা করে নিতে হবে। বাসা বাড়িতে লিকেজ পরিলক্ষিত হলে রাইজারের চাবি বন্ধ করে দিয়ে এবং আগুন জ্বালানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সে সঙ্গে দক্ষ মিস্ত্রি দিয়ে লিকেজ মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে।

চুলা জ্বালানোর কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট পূর্বে রান্না ঘরের দরজা জানালা খুলে দিয়ে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। রান্না শেষে গ্যাসের চুলা যথাযথভাবে বন্ধ হয়েছে কি-না নিশ্চিত হতে হবে। সার্ভিস সংযোগের লক উইং কক, রেগুলেটর, মিটার অথবা সংযোগস্থলসমূহে গ্যাস লিকেজ পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোম্পানির জরুরি গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে ফোন করে জানাতে বলা হয়েছ।

যোগাযোগ- জরুরি গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ক