শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ।। ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী এবার আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প দুইদিনের সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইলমের সঙ্গে জীবনের দক্ষতা: কওমি শিক্ষার সামনে নতুন বাস্তবতা ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব কে এই গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজ ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন লেবাননের বাসিন্দারা বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী দারুল উলুম দেওবন্দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষায় কয়েকটি প্রস্তাব হিফজখানার ছাত্র শরীফ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ

মদ বিক্রি বাড়াতে পর্যটকদের জন্য আইন শিথিল করল দুবাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত দোকান থেকে পর্যটকদের মদ কেনার সুযোগ করে দিতে এ সংক্রান্ত আইন শিথিল করেছে দুবাই। আগে আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র লাইসেন্সধারী বাসিন্দারা এ সুবিধা পেতেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মদ বিক্রির পরিমাণ গত এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নতুন আইনে, আকাশচুম্বী ভবনের রাজ্য দুবাই প্রথমবারের মতো ভ্রমণকারীদের মদ কেনার অনুমতির ব্যবস্থা করেছে। আরব উপদ্বীপের তেল-সমৃদ্ধ দেশটিতে ব্যাপক হতে থাকা অর্থনৈতিক মন্দার মাঝে এ পদক্ষেপ নেয়া হলো।

এ আইন মদ্যপানকারী পর্যটকদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাগুজে আইন হয়ে থাকা একটি বিষয়েরও সমাধান করেছে।

আগে সেখানে অনুমতি না থাকা পানকারীদের মদের গ্লাস ও বিয়ারের ক্যানে চুমুক বা শ্যাম্পেনসহ মধ্যাহ্নভোজন করা ছিল বেআইনি। তবে বাস্তবতা হলো কোনো মদ পরিবেশক কারও গ্লাসে মদ ঢালার আগে অনুমতিপত্র দেখতে চাইতেন না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মূল আকর্ষণ দুবাইয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফার পাশাপাশি পারস্য উপসাগর তীরে রয়েছে অনেকগুলো রিসোর্ট, যার টানে সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকরা ছুটে আসেন। তারা ঘুরে বেড়ান কয়েক কিলোমিটার লম্বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মলে, জিপ নিয়ে যান মরুভূমিতে আর উপভোগ করেন নানা রেস্তোরাঁর খাবার। তাদের অনেকে সেখানে মদ্যপানও করেন।

মদ খাওয়ার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যে এগিয়ে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির সাত রাজ্যের একটি শারজাতে মদ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এ দেশে মাথাপিছু বছরে মদ্যপানের পরিমাণ ৩ দশমিক ৮ লিটার।

মদ হলো বিশেষ করে রাষ্ট্রের জন্য অনেক বড় ব্যবসা। দুবাইতে মদের বোতলে আমদানি কর দিতে হয় ৫০ শতাংশ।

সেই সাথে দোকানে বিক্রির সময় লাগে অতিরিক্ত ৩০ শতাংশ কর। সরকারি মালিকানাধীন দুবাই ডিউটি ফ্রি গত বছর শুধুমাত্র বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে ২০০ কোটি ডলারের পণ্য বিক্রি করেছে। যার মধ্যে ছিল ৯০ লাখ ক্যান বিয়ার, ৩০ লাখ হুইস্কির বোতল ও ১৫ লাখ ওয়াইনের বোতল। ডিউটি ফ্রি এলাকায় মদ বিক্রির ক্ষেত্রে কখনো লাইসেন্স লাগে না।

বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় দুবাইয়ের আবাসন খাতে ৩০ শতাংশ মূল্য হ্রাস পেয়েছে। সেই সাথে বাণিজ্য যুদ্ধের ভয়ে নগর-রাজ্যটির কর্মীরা চাকরি হারাচ্ছেন।

এ মন্দা অবস্থা মদের বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। সার্বিক মদ বিক্রি ২০১৭ সালের ১৬ কোটি ৩৭ লাখ লিটার থেকে কমে ২০১৮ সালে ১৬ কোটি ১৫ লাখে দাঁড়িয়েছে বলে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোমনিটর জানিয়েছে।

এদিকে, যেকোনো পরিমাণ মদ খেয়ে গাড়ি চালানো এবং প্রকাশ্য জায়গায় মদ খাওয়া অবৈধই থাকছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, দোকান থেকে কেনা যেকোনো মদ শুধুমাত্র ‘আপনি হোটেল রুম/বাসায়’ পান করতে পারবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ