শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদিতে মুফতি মুহাম্মদ উল্লাহর সন্ধান ও মুক্তি চায় জমিয়ত তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের ঢাকা মহানগরীর প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত আলআমীন মুফতি তাকী উসমানীর সান্নিধ্যে এক স্মরণীয় সন্ধ্যা সিয়ানাহ ট্রাস্টের সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন ২০৩২ সালের মধ্যে ৬৪ জেলায় মারকাযুল ফুরকানের কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলেন মাওলানা আহমেদ মাসরুর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের শোক মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ

সৌদিতে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধের দাবি বিরোধী এমপিদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অবিলম্বে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। নারী শ্রমিকদের উপর শারীরিক নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এ দাবি জানান তারা।

আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বিকালে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু, কাজী ফিরোজ রশীদ ও সুলতান মনসুর আহমেদ। তারা প্রত্যেকই নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধের দাবি করেন।

জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনারা যতটা চিন্তিত, আমরা এর চেয়ে বেশি চিন্তিত।

সুলতান মনসুর আহমেদ প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের মান-মর্যাদা ঐতিহ্য রক্ষার স্বার্থে মহিলা শ্রমিক না পাঠিয়ে পুরুষ শ্রমিককে পাঠান, আয় দ্বিগুণ হবে। তাহলে ভালো হবে, দেশের মানও বাঁচবে, আমাদের মান-ইজ্জতও বাঁচবে।

পারিবারিক পরিবেশ সুন্দর থাকবে। দেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। না হলে আমরা দাসত্বের বাংলাদেশে পরিণত হব।

জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী বলেন, সবকিছু যেভাবে চিন্তা করা হয় সেভাবেই হয়। সৌদি আরব, মালয়েশিয়া- যেখানেই বলেন, শ্রমবাজার অনুযায়ী ওনারা যেভাবে চায় ওই হিসাবেই তো পাঠাতে হবে।

আর না হলে পাঠানোর দরকার নাই। যখন বলা হয় মানুষ পাঠাও, মানুষ চাইলে তো মানুষ পাঠাব। না চাইলে ওখানে ঠেলে তো মানুষ পাঠাতে পারব না। আমরা চেষ্টা করব নারী শ্রমিকরা যেন সম্মানজনভাবে ওখানে চাকরি করতে পারেন। আর যদি একেবারেই না করতে পারে তাহলে দেখব, চিন্তা করব না পাঠাতে।

-এটি