আওয়ার ইসলাম: রিফাত হত্যা মামলায় দাখিল করা সর্বমোট ৬১৪ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র
গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আদালত গ্রহণ করেছেন। এ হত্যা মামলায় সাক্ষী থেকে ৭ নম্বর আসামি হওয়া আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির স্বামী রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেলেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রের আলোকে তা তুলে ধরা হলো- আমি বরগুনা সরকারি কলেজে ডিগ্রি ১ম বর্ষে পড়ালেখা করি। ২০১৮ সালে বরগুনা আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করি। আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করা কালীন ২০১৭ সালে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই সময় রিফাত শরীফ বামনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিলো। রিফাত শরীফ ও নয়ন বন্ড পরস্পর বন্ধু ছিলো। রিফাত শরীফ আমাকে তার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়, নয়ন বন্ড তার মধ্যে একজন।
কলেজে যাওয়া আসার পথে নয়ন বন্ড আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে জ্বালাতন করতো। আমি তার প্রেমের প্রস্তাবে সায় না দেয়ায় সে আমার বাবা ও ছোট ভাইকে ক্ষতি করার ভয় দেখাতো। বিষয়টি আমি রিফাত শরীফকে জানাই নাই। আমি রিফাত শরীফকে ভালোবাসতাম, কিন্তু রিফাত শরীফ অন্য মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক করার কিছু বিষয় আমি লক্ষ্য করি এবং এ কারণে রিফাতের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটে এবং আমি ধীরে ধীরে নয়ন বন্ডের দিকে ঝুকে পড়ি এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমি নয়নের মোবাইল নম্বরে আমার মায়ের মোবাইল নম্বর (০১৭১৯৬৩৩৭৩৩) এবং নয়নের দেওয়া নম্বর শেষে ৬১১৩ ও অন্য একটি নাম্বার শেষে ৪৫ দিয়ে নয়নকে কল, ম্যাসেজ পাঠাতাম এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারে কল দিতাম।
বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াশোনাকালীন ধীরে ধীরে রিফাত ফরাজী, রিফাত হাওলাদার ও রাব্বি আকনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। রিফাত ফরাজী ও নয়ন বন্ডের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। প্রেমের সম্পর্কের কারণে নয়ন বন্ডের বাসায় আমার যাতায়াত ছিলো। নয়নের বাসায় দু’জনের শারীরিক সম্পর্কের কিছু ছবি-ভিডিও নয়ন গোপনে ধারণ করে। যা আমি প্রথমে জানতাম না। নয়নের বাসায় আমি প্রায়ই যেতাম এবং আমাদের শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে। এরপর গত ১৫/১০/১৮ তারিখ আমি রোজী আন্টির বাসায় যাওয়ার পথে বিকেল বেলা ব্যাংক কলোনী থেকে নয়ন বন্ড রিকশায় করে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়।
নয়নের বাসায় গিয়ে আমি শাওন, বাবু, রিফাত ফরাজী এবং আরও ৭/৮ জনকে দেখি। শাওন বাইরে গিয়ে কাজী ডেকে আনে এবং