বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা রাজশাহীতে ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ ‘যুক্তরাজ্যের মুসলিমদের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বে গর্বের বিষয়’

কাশ্মীরে বের হচ্ছে মাত্র পাঁচটি পত্রিকা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার পরে কার্ফু ও বিধিনিষেধ এড়িয়ে প্রকাশিত হতে পারছে মাত্র পাঁচটি। তাও কয়েকটি করে পাতা, পৌঁছচ্ছে হাতে গোনা পাঠকের কাছে। অথচ, ইংরেজি ও উর্দু মিলিয়ে রোজ অন্তত ১৭৪টি খবরের কাগজ বেরোত ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে।

শ্রীনগরের ল্যামবার্ট লেনেই অধিকাংশ খবরের কাগজের অফিস। কার্ফুর কারণে ছাপা কাগজ পড়ে থাকছে সেখানে। দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যদিও ঘোষণা দিয়েছেন, ‘উপত্যকায় সংবাদমাধ্যমের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়নি। যেকোনো খবর স্বাধীন ভাবে প্রকাশ করতে পারে তারা’। তবে এ

সাধারণত ১২ পাতার খবরের কাগজ ছাপা হতো ‘রাইজ়িং কাশ্মীর’। এই ক’দিন চার পাতার বেশি ছাপতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ। কারণ টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ইন্টারনেট স্তব্ধ। সংবাদ সংস্থার যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন। উপত্যকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর অফিসে আসছে না। কার্ফুর কারণে কর্মী ও সাংবাদিকদের অনেকেই অফিসে হাজির হতে পারছেন না। খবর আনন্দবাজারের।

কীভাবে কাগজটি চলছে? অ্যাসোসিয়েটেড এডিটর ফাইজুল ইয়াসমিন জানান, সরকারি টিভি চ্যানেল থেকে খবর সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর চার জন সাংবাদিক অফিসেই দিনরাত থেকে কাগজ প্রকাশের ধারাবাহিকতাটুকু ধরে রাখছেন। সন্ধ্যার পরে কার্ফু একটু শিথিল থাকে। ছাপার জন্য তৈরি করা চারটি পাতা তখন শহরের উপকণ্ঠের ছাপাখানায় হাতে করে দিয়ে আসা হয়।

এই ভাবেই বেরোচ্ছে ‘গ্রেটার কাশ্মীর’, ‘কাশ্মীর রিডার’, ‘কাশ্মীর উজমা’ এবং ‘তামিস-ই-ইরশাদ’। ‘কাশ্মীর রিডার’ এর এক কর্মী বলেন, ‘পাঠকের হাতে তুলে দেওয়ার কোনো উপায় নেই। এত পরিশ্রম করে কাগজ ছেপে যখন পড়ে থাকে, খুবই খারাপ লাগে’।

সাংবাদিক ফাইজুল ইয়াসমিনের কথায়, ‘আমাদের গোটা প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে বড় খবর এই ৩৭০ অনুচ্ছেদের অবলুপ্তি! কিন্তু আমরা পাঠকের কাছে সেটা পৌঁছে দিতেই পারছি না। এ যে কত বড় হতাশার কথা!’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ