বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত!

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় শিক্ষকের নৃশংসতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রাবেয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদকে কুপিয়েছেন পাষণ্ড শিক্ষক রাকিবুল ইসলাম মিঠু বিশ্বাস।

গত ১৫ মার্চ নড়াইলের সদর থানার সিঙ্গিয়া গ্রামে রাবেয়ার বাড়িতে গিয়ে তাদের তিনজনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন রাবেয়ার শিক্ষক।

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী  রাবেয়া খাতুন ( ১৩) এখন হাসপাতালে বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। তার ডান হাত ও ডান পায়ের রগ কেটে ফেলেছে শিক্ষক। পাশেই বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন রাবেয়ার দাদি। তাকেও একইভাবে কুপিয়েছেন ওই শিক্ষক। তারপাশেই গলা ও হাতের কাটা অংশ নিয়ে যন্ত্রণায় চিৎকার করছে সাত বছরের শিশু।  শিক্ষকের নির্মমতা থেকে বাদ পড়েনি সেও।

রাবেয়া খাতুন, তার দাদি জাহানারা বেগম ও পাশের বাড়ির শিশু হেনা এখন ভর্তি রয়েছে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল)। তাদের তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জামিল।

জানা যায়, হামলার দিন পাষণ্ড শিক্ষক মিঠু বিশ্বাস হাতে চাপাতি নিয়ে সন্ধ্যা সময় হাজির হন রাবেয়া খাতুনের বাড়িতে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাবেয়ার ডান পা ও ডান হাতের রগ কেটে দেন। এই শিক্ষকের কাছ থেকে রক্ষা পাননি রাবেয়ার ঘরে থাকা সাত বছরের শিশু হেনা, তার হাতে ও গলায় চাপাতি দিয়ে কোপায় মিঠু।

তাদের বাঁচাতে গেলে রাবেয়ার দাদি জাহানারা বেগমের হাতেও চাপাতির কোপ দেন ওই শিক্ষক। চাপাতির কোপে রাবেয়ার দাদির ডান হাতের কঞ্জি শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়। আর বাম হাতের কঞ্জিও চাপাতির কোপে ছিঁড়ে অনেকাংশে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ভয়ানক এই ঘটনা সম্পর্কে রাবেয়ার বাবা রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মিঠু বিশ্বাস নামের ওই কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের বাড়ি তাদের একই গ্রামে। তাই ছোট বেলা থেকেই দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যে জানাশোনা ছিল।

মিঠু বিশ্বাস স্থানীয় নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের স্নাতকের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ‘ফুল অ্যান্ড ফাইনাল’ কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন। এলাকায় প্রাইভেট শিক্ষক হিসেবেও তার বেশ সুনাম আছে।

তিনি আরও জানান, রাবেয়াকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানোর পর মিঠু বিশ্বাসের কাছে প্রাইভে