মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয়

প্রথম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটা শিশুদের ওপর মানসিক চাপ।

আজ (১৩ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, এটার কোনো প্রয়োজন নেই। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। আমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এ বিষয়টি দেখার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটি শিশুদের ওপর এক ধরনের মানসিক চাপ।

কিছু কিছু স্কুলে প্রথম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় শিশুদের লিখিত প্রশ্ন দেয়া হয় এবং শিশুদের সে অনুযায়ী লিখতে বলা হয়। শিশুরা যদি প্রিন্ট করা প্রশ্ন দেখে দেখে উত্তর লেখতে পারে তাহলে প্রথম শ্রেণিতে তারা আর কি শিখবে?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এ প্রথা বাতিল করতে হবে। এলাকাভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি হওয়া উচিত। প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ওই এলাকার নির্দিষ্ট বয়সী শিশুদের ভর্তি করতে হবে।

শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেয়া উচিত নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের পড়াশোনাটা তারা যেন খেলতে খেলতে, হাসতে হাসতে সুন্দরভাবে নিজের মতো করে নিয়ে পড়তে পারে সেই ব্যবস্থাটাই করা উচিত। শিশুদের মধ্যে যেন ভীতি তৈরি না হয় সেজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের নজর দিতে হবে।

শিশুদের নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া অভিভাবকদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় আমরা দেখি প্রতিযোগিতাটা শিশুদের মধ্যে না হলেও বাবা-মায়ের মধ্যে একটু বেশি হয়ে যায়। এটাও কিন্তু একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলে আমি মনে করি।

সব শিশু সমান মেধা নিয়ে জন্ম নেয় না। আমাদের সকলকে শিশুদের সহযোগিতা করতে হবে, যাতে করে তারা নিজেদের মতো করে শিখতে পারে।

এএ