সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ

ফের হামলার শঙ্কা কাশ্মিরে, নিরাপত্তা জোরদার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বড়সড় হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জইশ-ই-মোহাম্মাদ নামক একটি সংগঠনের হামলায় ৪৯ ভারতীয় সেনা নিহত হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ওই ঘটনার তদন্তে নেমেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘তানজিম’-দের একটি এনক্রিপটেড গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে বার্তা বিনিময় থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা ধারণা করছেন, আবারও বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে জইশের সদস্যরা।

ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘ইস বার উসসে বড়া খিলোওনা তৈয়ার হ্যায়’।

গোয়্ন্দারা মনে করছেন, ‘খিলোওনা’বলতে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ির কথাই বলা হচ্ছে। আর কাশ্মির উপত্যকায় তানজিম বলতে বোঝায়, ‘জিহাদি’দের সাহায্যকারী ছোট ছোট দল যারা জিহাদিদের লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করে থাকে। এ রকমই একটি তানজিম থেকে ওই বার্তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই সতর্ক বার্তা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা সেনা গোয়েন্দা, আধা-সামরিক বাহিনী এবং কাশ্মির পুলিশের সঙ্গে আদান-প্রদান করেছেন।

গোয়েন্দাদের একটা অংশের সন্দেহ, খুব পরিকল্পিতভাবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের ভুল পথে পরিচালিত করতে হয়তো এ ধরনের বার্তা চালাচালি করছে জইশের সদস্যরা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ