আলী আবদুল মুনতাকিম
অতিথি লেখক
‘আমরা সবাই পাপি, আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের- পাপ মাপি।’ অর্থাৎ আমার পাপের চশমা দিয়ে আমি অন্যকেও পাপি দেখি।
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের কবিতা মনে রেখে চলুন কিছু আলোকপাত করি।
কোন পীর-দরবার-মুরীদ কে, বা কোন মাওলানা-আলেম- ওয়ায়েজিন কে বা কোন ওজাহাতি-এতায়াতি-সাথী ভাই কে সমালোচনা করা, ছোট করা বা নিন্দা করার জন্য আমার এই লেখা নয়, মনের কিছু কষ্টকর অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করব। আপনারা উপকৃত হলে আমার লেখা স্বার্থক হবে।
বাঙালি মুসলমানরা দিনে দিনে আমরা হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছি। লেখাটি দীর্ঘ হলেও মজা পাবেন।অন্তত ধৈর্য্যচ্যূতি ঘটবে না। ছাত্র ভাইরা নোট করে রাখতে পারেন।
সেদিন দেখলাম, জৈনপুরের আওলাদ মাওলানা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসি এক ওয়াজে বললেন, এদেশে লক্ষ কোটি মুসলমান হয়েছে জৈনপুরী-ফুরফুরা পীর সাহেবদের কারণে, তাদের বাদ দিলে মুসলমানদের অস্তিত্ব থাকে না।
কথাটি আমি বুঝতে পারিনি। কথাটি আংশিক সত্য, পুরো নয়। শাহজালাল রহ., শাহ আমানত, শাহ পরান, দেওবন্দ, তাবলীগের কি কোনো অবদান নেই? অন্য কোন মাহফিলে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করবেন আশা করি। তার কোনো মুরিদ আওয়ার ইসলামের এ লেখাটি পড়লে দয়া করে মেসেজটি দেবেন।
জৈনপুর, ফুরফুরা, শর্ষীনা, শাহ আমানত, মাইজভান্ডারী, বার আউলিয়া, শাহজালাল, শাহপরান, চরমোনাই, আটরশি, শাহ আলী, খান জাহান আলী, দারুস সালাম, আড়াইবাড়ী, ধামতি, সোনাকান্দা ইত্যাদি বহু পীরের দরবার আছে। মোটামোটি বিখ্যাত। কোনোগুলো মৃত পীরের মাজার কেন্দিক, কোনোটা জীবিত পীর কেন্দ্রীক, কোনোগুলো মাদরাসা সমৃদ্ধ দরবার।
মাদরাসাসমৃদ্ধ দরবারগুলো ইসলাম প্রচার ও প্রসারে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে বলা যায়। তারা হাজার হাজার আলেম-মুহাদ্দিস-মুজতাহিদ তৈরিতে ভূমিকা রাখছে ৷ যেমন, শর্শীনা মাদরাসা, চরমোনাই মাদরাসা, ধামতি মাদরাসা, হাটহাজারী মাদরাসা, আড়াইবাড়ী মাদরাসা, রাহমানিয়া মাদরাসা- এভাবে খুলনা, বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বেশ কিছু মাদরাসা আছে। যদিও তাদের বিভিন্ন সিলসিলায় বিভক্ত করে রাখা হয়েছে।
কিন্তু মাজার কেন্দ্রীক দরবারগুলোতে নানারকম অনিয়ম আর অনাচার লক্ষণীয়। শত দরবারের নাম আমার কাছে আছে, তাদের বহু অনৈসলামিক, কুফরি, শরিয়তবিরোধী à¦