হামিম আরিফ: তাবলিগ জামাতের মারকাজ নিয়ন্ত্রণে নিতে নেজামুদ্দিনের অনুসারীরা কাকরাইল মসজিদের সামনে জড়ো হয়েছে। গতকাল রাত থেকেই এ অবস্থা চলমান। এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। তাতে কয়েকজন আহতও হন বলে জানা যায়।
কাকরাইলের একাধিক সূত্র বলছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে মাওলানা সাদ ও নেজামুদ্দিনের অনুসারীরা কাকরাইল মারকাজে প্রবেশ করতে চাইলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
তবে ঘটনার কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে বলে জানা যায়।
সূত্র জানায়, কাকরাইল মারকাজের দুইজন জিম্মাদার মাওলানা মুনীর বিন ইউসুফ ও মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ এবার হজ পালনে সৌদি গিয়েছিলেন। সেখানে থেকে গতকাল ফেরার পর মারকাজে গেলে বাধার সম্মুখিন হন।
কাকরাইলে অবস্থানকারী মুকিমরা জানান, হজ থেকে ফিরে মূলত ওই দুই সাথী কাকরাইল দখলের চেষ্টা করেন। তারা হজের সফরে এ পরিকল্পনা করেন।
তারা জানান, এ বছর নেজামুদ্দিনপন্থী অনেকেই হজে যান। নেজামুদ্দিনের মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও কাকরাইল শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামও এবার হজ সফরে ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মুকিম জানান, গতকাল মাওলানা মুনীর বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদুল্লাহ হজ থেকে ফিরে কাকরাইল মারকাজে ঢুকেন এশারের পর। এ সময় নেজামুদ্দিনপন্থী বহু সাথী কাকরাইলের গেটে অবস্থান নেয় মারকাজে প্রবেশের জন্য। তারা নানারকম স্লোগানও দেয় বাইরে।
মাওলানা মুনীর বিন ইউসুফ ও মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ মাস্তুরাত জামাতের জিম্মাদার।
বাইরে অবস্থান নেয়া অনেকেই বলেন, হজ থেকে ফেরা দুই সাথী কাকরাইলে ঢুকতে চাইলে তাদের প্রথম বাধা দেয়া হয়। এরপরই ঝামেলার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, বাইরে অবস্থানকারীরা ‘পাকিস্তানপন্থীদের হাতে তাবলিগকে থাকতে দেয়া যাবে না’ ইত্যাদি বলে স্লোগান দেয়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নেজামুদ্দিনপন্থীরা এখনো আশপাশের রাস্তা ও মসজিদে অবস্থান করছে। তারা কাকরাইলে থাকা মুরব্বিদের পাকিস্তানপন্থী উল্লেখ করে তাদের হঠানোর দাবি জানাচ্ছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কাকরাইল মারকাজ মসজিদের বাইরে নেজামুদ্দিনের অনুসারী বহু লোক অবস্থান করছেন। তারা বলছেন, মাওলানা যোবায়ের সাহেবরা মারকাজ দখলে রেখেছেন। আমরা হাজার হাজার লোক রয়েছি নেজামুদ্দিনের অনুসারী। আমরা সবর করে যাচ্ছি।
মাদরাসার ছাত্ররা ভিডিও বার্তায় জানান, রাত ১ টার দিকে নেজামুদ্দিনপন্থী বহু লোক জড়ো হয় মারকা