বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

যে কারণে লাদেন পুত্রের বিয়ে নিয়ে পাশ্চাত্য এত আতঙ্কে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ওসামা বিনা লাদেনের জীবিত থাকতে তার পাশে একটি ছোট ছেলেকে কালাশনিকভ হাতে বসে থাকতে দেখা যেত। এই ছোট ছেলেটি হামজা বিন লাদেন। ওসামা বিন লাদেনের জীবিত তিন স্ত্রীর মধ্যে খাইরিয়া সাবারের পুত্র।

এই হামজা এখন পাশ্চাত্য ও পাশ্চাত্যপন্থী দেশগুলোর মাথাব্যাথা। আর তাই হামজা বিন লাদেনকে ‘গ্লোবাল টেররিস্ট’-এর কালো তালিকাভুক্ত করেছে আমেরিকা।

এমনকী, হামজার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। জানা গেছে, হামজা মুহাম্মদ আত্তার মেয়েকে বিয়ে করেছেন। ২০০১ সালে ১১ সেপ্টেম্বর লাদেনের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী দু’টি বিমান হাইজ্যাক করে আল কায়েদা সদস্যরা।

এই বিমান দু’টি গিয়ে আছড়ে পড়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের যমজ টাওয়ারে। এই অপহরণকারীদের অন্যতম ছিল মুহাম্মদ আত্তা। কিন্তু হামজা ততদিনে বেড়ে ওঠে আল কায়েদার লাদেন-পরবর্তী নেতা আয়মান আল-জওয়াহিরির তত্ত্বাবধানে।

এই বিবাহ থেকে একথা স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে আল কায়েদা কোনো বড় ছক কষছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের কাছে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন ওসামার সৎ ভাইরা।

আহমাদ ও হাসান আল আত্তাস বলেছেন, তাদের ধারণা হামজাকে আল কায়েদার শীর্ষ পদ দেয়া হয়েছে। পাকিস্তানের অ্যাবটাবাদে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিহত পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিজ্ঞাও করেছেন হামজা।

লাদেনের ভাই হাসান আল-আত্তাস বলেন, এখন হামজা যদি আমার সামনে থাকতো তাহলে আমি তাকে বলতাম, ‘আল্লাহ তোমাকে পথ দেখাবে। দ্বিতীয়বার ভাবো তুমি কী করছো। বাবার পথে আবার পা বাড়িও না। তুমি তোমার আত্মার সবচেয়ে খারাপ অংশের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছ।’

অ্যাবটাবাদে মার্কিন অভিযানে ওসামা নিহত হওয়ার সময়ে তার সঙ্গেই ছিলেন কনিষ্ঠ স্ত্রী খাইরিয়া। ওসামা বেঁচে থাকাকালীন কোনো দিন খাইরিয়ার ছোট ছেলেকে কাছ ছাড়া করতেন না।

কিন্তু, পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে আত্মগোপন করে থাকার সময়ে সেখানে হামজাকে রাখেননি ওসামা। তাকে সরিয়ে দিয়েছিলেন আফগানিস্তানে আল-কায়দার গোপন ঘাঁটিতে। ওই অভিযানের পর থেকেই হামজা প্রকাশ্যে ওয়াশিংটন, লন্ডন, প্যারিস, তেল আবিবে হামলা শুরু করা জন্য অনুসারীদের আহ্বান জানিয়েছে।

২০১৬ সালে ২১ মিনিটের এক অনলাইন অডিও বার্তায় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিশোধের হুমকি