যাকারিয়্যা মাহমূদ
অতিথি লেখক
মহান আল্লাহ্ তাআলা আমাদের মানুষ বানিয়েছেন। আর আমদের বেঁচে থাকার জন্য তিনি এ বিশ্বকে অসংখ্য নেয়ামত ও অফুরন্ত কল্যাণে সাজিয়েছেন। পৃথিবীতে সুশৃঙ্খল ও আরামদায়কভাবে জীবন যাপনের জন্য আমাদের দিয়েছেন অজস্র নেয়ামত সম্ভার। আর তারই ছোট্ট একটি দৃষ্টান্ত হল আজকের আধুনিক যানবাহন ব্যবস্থাপনা।
বর্তমান সময়ে যানবাহন আমাদের জীবনের অপরিহার্য একটি অংশ। এটি সমাজ ও জীবনে এমনভাবে মিশে গেছে যে এর কোন বিকল্প নেই। জীবন ধারণের অন্যান্য উপকরণের সাথে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত অবিচ্ছেদ অংশ।
এছাড়াও আধুনিক মানব সভ্যতার একটি অপরিহার্য অংশ ও ঐতিহ্যেরর বাহনও এটি। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে এর ব্যাপক প্রভাব আজ প্রমাণিত সত্য। যানবাহন যোগাযোগ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করণের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে অনেকাংশে সহজ করে দিয়েছে।
দিন দিন বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন। তবে এ কথাও ঠিক যে, যতই প্রযুক্তির ব্যাবহার ও এর পরিধি বাড়ছে ততোই এর সাথে মানুষের জীবনের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতিনিয়ত বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। এতে পরিবার হারাচ্ছে তার বেঁচে থাকার অবলম্বন, আমরা হারাচ্ছি একজন প্রিয় মানুষ, দেশ হারাচ্ছে একটি মেধা বা সম্পদকে।
একটি জরিপে বলা হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ৫৫ জন মানুষ মারা যান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৯ সালের প্রতিবেদনে অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে মারা যায় ২০ হাজার ২৩ জন।
এভাবেই বেড়ে চলেছে প্রতিদিন সড়ক কিংবা মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল। বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনা ও এতদসংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ।
তাই পৃথিবীর দেশে দেশে গড়ে ওঠেছে যানবাহন ও এতদসংক্রান্ত বিভাগ ও বিধিবিধান। গড়ে উঠেছে যানবাহন চালক বা ড্রাইভারের শিক্ষা, যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্ব বিবেচনায় সহায়ক, শক্তিশালী, উত্তম ও কার্যকর বিধানাবলী। আর এর একটিই উদ্দেশ্য তাহল, গণমানুষের জান-মালের সার্বিক নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করা।
আমাদের বাংলাদেশেও সড়ক জনপদ, যানবাহন ও ট্রাফিক আইন রয়েছে। যদিও তা বাস্তবতার বিবেচনায় যথেষ্ট স্বচ্ছ ও পর্যাপ্ত নয়। এবং যটুকু আছে বাস্তবিক পক্ষে তার কোন কার্যকর বাস্তবায়নও নেই।
পবিত্র ইসলামেও ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সকল স্তরের মানুষের জান-মালের সার্বিক নিরাপত্তার বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এ জন্য ইসলাম প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও বিধিবিধান প্রণয়ন করেছে।
মহান আল্