বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ।। ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত মাদরাসার বেতন সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অল্প বয়সেই হাফেজ হয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে রুবায়েত ও মৃদুল বিশ্বকাপে বিশেষ সম্মান পেল কালিমাখচিত সৌদির পতাকা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্ধ থাকবে ৯২টি চা বাগান কবিতায় ‘কাঠপেন্সিল তরুণ লেখক পুরস্কার’ পাচ্ছেন জিয়া হক আমি না-থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবার সোনালি যুগে ফিরিয়ে নিতে চাই’ ইরান আবারও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইলে, নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের চিঠি

আইসিএএন-কে যে কারণে দেয়া হলো নোবেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পরমাণু অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে বিভিন্ন এনজিও'র জোট আইসিএএন। দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনসের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে এই আইসিএএন। নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার আগে এ সংগঠনের খুব একটা পরিচিতি ছিল না। কিন্তু কেন দেওয়া হলো এ পুরস্কার? কী কাজ করেছে এ সংগঠন?

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার অনুষ্ঠানে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির নেতা বেরিট-রিজ-অ্যান্ডারসন এ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণে চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী প্রচেষ্টার জন্য আইসিএএন-কে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে'।

গত জুলাইয়ে পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ ও পর্যায়ক্রমে সেগুলো ধ্বংস করার জন্য প্রণীত জাতিসংঘের একটি চুক্তি ১২২টি দেশ গ্রহণ করে। এটি স্বাক্ষরে বিভিন্ন দেশকে উৎসাহিত করতে ভূমিকা রেখেছে এ প্রতিষ্ঠান। পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী নয়টি দেশ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। এসব দেশের মধ্যে আমেরিকা ও ব্রিটেনও রয়েছে।

তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) একটি জোট হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দেয় দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইসিএএন)। শত শত এনজিওর এই জোট প্রায় ১০ বছর ধরে শতাধিক দেশে কাজ করছে। জেনেভাভিত্তিক এই গোষ্ঠী অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম কাজ শুরু করে। ২০০৭ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েনায় কাজ শুরু করে। -পার্সটুডে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ