সৎকর্ম মানুষের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ অর্জন, যার দ্বারা সে তার রবকে সন্তুষ্ট করে। দুনিয়ায় সুখ পায়। সবক্ষেত্রে সফল হয়। আখেরাতে উচ্চমর্যাদা লাভ করে। আল্লাহ তার জন্য যে অবস্থান নির্ধারণ করে রেখেছেন, সেখানে উত্তীর্ণ হয়। আল্লাহ বান্দার জন্য ইবাদতকে যখন সহজ করেন, কর্মে নিষ্ঠা দানের মাধ্যমে তাকে দয়া করেন, নবীর সুন্নত ও দিকনির্দেশনা মেনে চলা ও আঁকড়ে ধরার তৌফিক দেন, তখন আল্লাহ তাকে বিশাল মর্যাদায় ভূষিত করেন। তাকে সর্বোত্তম কাম্য বস্তু দান করেন।
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘আল্লাহ দুনিয়া দেন যাকে ভালোবাসেন এবং যাকে ভালোবাসেন না। দ্বীন শুধু তাকেই দেন, যাকে তিনি ভালোবাসেন। তাই আল্লাহ যাকে দ্বীন দিয়েছেন তাকে তিনি ভালোবেসেছেন।’ (আহমাদ)। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।’ (সূরা মায়েদা : ২৭)।
বান্দার কর্তব্য হলো সার্বক্ষণিক অবিচল থেকে তাকে দেয়া আল্লাহর আনুগত্যের এ মর্যাদার কৃতজ্ঞতা আদায় করা। যে সঠিক পথে সর্বদা অটল থাকে, সে যাবতীয় কল্যাণ পেয়ে সফল হয় এবং ধ্বংসাত্মক বিষয় থেকে মুক্তি পায়। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা বলেছে আল্লাহ আমাদের প্রতিপালক, তারপর তাতে অবিচল থেকেছে, তাদের কাছে ফেরেশতারা অবতীর্ণ হয়ে বলেন, তোমরা ভয় পেয়ো না, দুশ্চিন্তা করো না এবং তোমরা জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ করো, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেয়া হতো।’ (সূরা ফুসসিলাত : ৩০)।
সুফিয়ান ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসুল! আমাকে ইসলাম বিষয়ে এমন কিছু বলুন, যা আপনি ছাড়া আর কাউকে আমি জিজ্ঞেস করব না। তিনি বললেন, ‘বল, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম, তারপর অবিচল থাকো।’ (মুসলিম)।
যেসব সৎকর্ম দ্বারা আল্লাহ তাঁর পছন্দের বান্দাদের সম্মানিত করেছেন, সেগুলোর প্রতি অবশ্যই যত্নবান হতে হবে। যেসব গোনাহ ও পাপ সৎকর্মগুলোকে বিনষ্ট করে দেয় অথবা অন্যায় ও অপরাধের কারণে সওয়াবে ঘাটতি সৃষ্টি করে, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদার লোকরা, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসুলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের কর্মগুলোকে বিনষ্ট করো না।’ (সূরা মুহাম্মাদ : ৩৩)।
তুমি তোমার বর্তমানে তোমার অতীতের চেয়ে উত্তম হতে চেষ্টা করো এবং বর্তমানের চেয়ে তোমার ভবিষ্à¦