আওয়ার ইসলাম : ভ্রমণে আবগারি শুল্ক যুক্ত হওয়া এবং সৌদি আরবের এয়ারপোর্ট বিল্ডিং চার্জ (আইও )যোগ না করায় হজযাত্রীদের পেছনে হজ প্যাকেজের অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে এবার। আর এ কারণে বেকায়দায় পড়েতে হজ এজেন্সিগুলো। তবে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ভাড়া বাড়ানো হয়নি। আর ডলারের মূল্য কমায় খুব বেশি অর্থ গুনতে হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হজ প্যাকেজ ঘোষণার সময় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভুলে উড়োজাহাজ ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের এয়ারপোর্ট বিল্ডিং চার্জ (আইও ) তিন হাজার ৭৪৬ টাকা যোগ না করে প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। আর চলতি অর্থ বছর বাজেটে আবগারি শুল্ক বেড়েছে এক হাজার টাকা। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স জনপ্রতি ভাড়া বাড়িয়েছে ২৩৩ টাকা। সব মিলিয়ে হজযাত্রী প্রতি চার হাজার ৯৯৭ টাকা বেড়েছে প্যাকেজ ঘোষণার পর। তবে শেষ রক্ষা হয়েছে ডলারের মূল্য কমে যাওয়ায়। তারপরেও হজহযাত্রীদের এবার বর্ধিত অর্থ গুণতে হচ্ছে দুই হাজার ৮৬৭ টাকা। এতে বেকায়দায় পড়েছে হজ এজেন্সিগুলো।
পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর পবিত্র হজ শুরু। এ উপলক্ষে ২৪ জুলাই শুরু হবে হজ ফ্লাইট। এরইমধ্যে গত ৪ জুলাই হঠাৎ করেই পূর্বঘোষিত প্যাকেজের মূল্য থেকে হজযাত্রী প্রতি দুই হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়ানো হয়। এতে হজযাত্রী খরচ বেড়ে প্রতি এক লাখ ২৭ হাজার ৫৯০ টাকা ভ্রমণ খরচ হবে। ইতোমধ্যে উড়োজাহাজ ভ্রমণের দ্বিগুণ আবগারি শুল্কসহ অন্যান্য বাড়তি খরচ মিটিয়ে গত ১ জুলাই থেকে টিকিট কিনতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা।
জানা গেছে, এখন থেকে দেশের বাইরে যাতায়াতের জন্য উড়োজাহাজে ভ্রমণ করতে গেলেও প্রত্যেক ফ্লাইটে এক হাজার টাকার পরিবর্তে আবগারি শুল্ক দিতে হচ্ছে দুই হাজার টাকা। সার্কভুক্ত দেশ ছাড়া এশিয়ার অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান এক হাজার টাকার শুল্ক হয়েছে দুই হাজার টাকা। আর ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে তিন হাজার টাকা।
গত ৩০ জানুয়ারি চলতি বছরের হজ প্যাকেজ অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এতে হজযাত্রীদের উড়োজাহাজ ভাড়া ধরা হয় এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৩ টাকা ২১ পয়সা। এরমধ্যে উড়োজাহাজের মূল ভাড়া (এক হাজার ৪৭৫ ডলার) এক লাখ ১৮ হাজার ৭৩৭ টাকা ৫০ পয়সা। উড়ড়োজাহাজ ভ্রমণে মূল ভাড়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জেদ্দা ডিপারচার ট্যাক্স এক হাজার