সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্লিজ বিয়ের পর আর বিদেশ নয় হারামাইনে আরও আধুনিক ও মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিতের ঘোষণা লামুর নিঃশব্দ রাত: ইতিহাস, কবর আর এক বিদায়ের পদচিহ্ন চলে গেলেন বিশ্বখ্যাত ইসলামি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ উমর চাপরা আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্টে প্রশিক্ষক নিয়োগ, আবেদন আহ্বান সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গুলিস্তান টার্মিনালের বাসের ডিপো সরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সিলেট-৫ আসনে সাবেক এমপিকে সংসদে স্মরণ করলেন বর্তমান এমপি ১১ দলীয় জোটের সংবাদে ইসলামী আন্দোলনের লোগো ব্যবহার না করার আহ্বান ডা. জাহিদের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ঢাকা, ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব জামিয়া গহরপুরের শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল

গরু রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের একজন রাজনীতিবিদ বলেছেন, দেশটিতে বাঘ রক্ষায় যে ধরনের স্কিম রয়েছে, গরু রক্ষার জন্য ঠিক একই ধরনের জাতীয় স্কিমের পরিকল্পনা করছে সরকার।

মুম্বাইয়ে জাতীয় গরু সম্মেলনে এক ভাষণে বিজেপি সরকারের এক মন্ত্রী হংসরাজ আহির বলেন, গরুর জন্য বিশেষ অভয়ারণ্য বানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রায় চল্লিশ বছর আগে 'প্রজেক্ট টাইগার' নামে এক প্রকল্প চালু করেছিল দেশটির সরকার। বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি ও বাঘের প্রজাতিকে সুরক্ষা দেয়াই ছিল ওই প্রকল্পের লক্ষ্য। কেন্দ্রীয়ভাবে এই প্রকল্পটি পরিচালনা করা হয়।
বাঘের বাসস্থান সংরক্ষণ ও অবৈধ শিকার রোধে অর্থ প্রদান করে দিল্লি সরকার।

হংসরাজ আহির বলেছেন, 'প্রজেক্ট কাউ' নামের ওই প্রকল্পে গরুর জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি করা হবে। যদিও এখানে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। বাঘ বিপন্ন প্রজাতি কিন্তু গরুর ক্ষেত্রে তেমনটা নয়।

ভারতে বাঘ হত্যা করা ও এর দেহের কোনো অংশ নিয়ে বাণিজ্য করা অবৈধ। কিন্তু ভারতের অনেক রাজ্যে এখনো গরু জবাই ও গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়টি বৈধ। আর এক্ষেত্রে রাজনৈতিক ইস্যুটিও অনেক স্পর্শকাতর।

হিন্দুরা গরুকে অতি পবিত্র মনে করে এবং গরু রক্ষা করা হিন্দুদের অধিকারের মধ্যেই পড়ে।

২০১৪ সালে ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর গরু জবাই নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়।

বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে গো-রক্ষায় বিভিন্ন নিয়মকানুন বেঁধে দেয়া হয়েছে।

গরু জবাইকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে ভারতের গুজরাট রাজ্যে নতুন একটি আইনও পাস হয়।

অনেক রাজ্যে গরু কেনা-বেচা বন্ধে সরকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষুব্ধ হন, বিক্ষোভও করেন।
এমনকি গরু জবাইকে কেন্দ্র বেশ কিছু মুসলিমকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা এসব ঘটনার সাথে জড়িত বলে অভিযোগও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে গরু নিয়ে এমন ধরনের ঘটনা স্বাধীন ভারতের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
গো-রক্ষার নামে যদি বিজেপি সরকার পশু বিক্রি বা পরিবহনের নিষেধাজ্ঞা বাড়াতেই থাকে তাহলে দেশের হাজার হাজার মানুষ যারা গরুর বাজার, পশু পরিবহন, কসাইখানা বা মাংসের দোকানের সঙ্গে যুক্ত -তাদেরও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। বন্ধ হয়ে যাবে দৈনন্দিন আয়ের উৎস। -বিবিসি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ