মুফতী তাজুল ইসলাম জালালী : যুগ চলছে আধুনিক। দাপট চলছে মিডিয়ার।আধুনিক মিডিয়ার কল্যাণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছোট ছোট খবরও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বময়। কিন্তু আফসোস! এখনও মুসলমান ও আলেম ওলামাদের ভাব-ভাষা বোঝার মতো এবং ইসলাম ও মুসলমানের দুর্দিনে দুঃস্বাহসিক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করার মতো মিডিয়ার খুবই খড়া।
আমার মনে পড়া সময় থেকেই বলছি ইরাক, আফগানিস্তান থেকে শুরুকরে মিয়ানমারের মুসলিমনির্যাতন পর্যন্ত, বাবরি মসজিদ আন্দোলনের পল্টন ময়দান, খতমে নবুয়ত আন্দোলনের মানিকমিয়া এভিনিউ থেকে শুরু করে এন্টি-ইসলাম ব্লগার বিরোধী শাপলা চত্ত্বর পর্যন্ত মিডিয়ার ভূমিকায় বিশ্বমুসলিম ও মূলধারার ওলামায়ে কেরাম হতাশা ছাড়া আর কিছুই পায়নি।
বিশ্বমুসলিম ও আলেমদের দুর্দিনে দরদি মুসলমান রেডিও টিভিতে একটু আশার খবর শুনতে কান পেতে হতাশা নিয়েই ফেরেন। চিত্র জগতের বাশিবাদক বা তবলাবাদকের মৃত্যুতে পত্রিকার কাগজে প্রথম পৃষ্ঠায় বক্সকরে খবর ছাপা হয়, অন্য দিকে দেশের একজন বিশিষ্ট আলেমের ইনতিকাল হলে পত্রিকা অফিসে ফোন দেওয়া ছাড়া খবর খুজে পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
কর্তৃত্ববাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এগিয়ে যাক আওয়ার ইসলাম
আওয়ার ইসলাম উলামায়ে কেরামের পরামর্শে পরিচালিত
আবার অনেক মিডিয়ার আচরণেই স্পষ্ট বোঝা যায় তারা কারও এজেন্ট হয়ে মুসলিম দেশে কাজ করছে। বিশ্ব মুসলিমদের দুরাবস্থা, ওলামায়ে কিরামের সফল কর্মকাণ্ড, মুসলমানদের দুঃসহ দিনের করুণ চিত্র তুলে ধরার মতো গনমাধ্যমের অভাব দীর্ঘ দিনের। বরং উল্টো উদুর পিণ্ডি ভুদুর গাড়ে চাপিয়েই চলছে আমাদের দেশের প্রায় সব গণমাধ্যম। কোথাও কোন সন্ত্রাসী হামলা বা অপ্রীতিকর কিছু ঘটলে নির্বিচারে মুসলমান বা আলেম ওলামার কাঁধে দোষ চাপিয়ে দেওয়া যেন মিডিয়ার স্বভাবে পরিনত হয়েছে।
অন্যদিকে অনৈসলামিক সংস্কৃতির প্রতি মিডিয়ার অতি উৎসাহ দেখে বোঝাই কঠিন এটি কোন দেশের মিডিয়া। টক শো নামে আরষ্ট শোতে কয়েক জন প্রগতীবাদী নামে ইসলাম বিদ্বেষীদের মাঝে দু-এক জন আলেমকে ডেকে নিয়ে রীতি মতো বিপর্যস্ত করার সময় মনে হয় ইসলাম ও মুসলমান আসলেই মিডিয়ার কাছে অসহায়।
সকালে পত্র