ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা (পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত) জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এজন্য মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের সমস্যা নিরসনে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করেছে। কমিটি এরই মধ্যে বৈঠক করে সারাদেশে মাদ্রাসা ও শিক্ষকদের প্রকৃত সংখ্যা জানতে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের কাছে তথ্য চেয়েছে। এরপর সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলেই রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান আজকালের খবরবে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব মাদ্রাসার শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে আসছেন। তাদের সমস্যার সমাধানে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হয়েছে। সেখানে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দাবি দাওয়া কীভাবে নিরসন করা যায় তার একটি রূপরেখা করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের পর থেকেই এসব মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি ওঠে। তাদের দাবির পক্ষে যুক্তিও আছে। তবে এসব সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। আমার সারসংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবো, সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে আমরা তা কার্যকার করবো।
গত ২৪ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত ওয়ার্কিং কমিটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (মাউশি), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিটের মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ডিপিই পরিচালক (প্রশাসন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ১৯৮৪-৮৫ সালে ১৮ হাজার ১৯৮টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা রেজিস্ট্রেশন পায়। ১৯৯৪ সালে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক শিক্ষকদের সঙ্গে এসব মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষকদà§