আওয়ার ইসলাম: জনতার বাধা, প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে, পুলিশের বিশেষ পাহারায় রোববার ব্রাক্ষ্ণণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলায় প্রাণিসম্পাদ উন্নয়ন কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।
সূত্র জানিয়েছে, প্রাণিসম্পাদ উন্নয়ন কেন্দ্রের ভবনটি গত তিন বছর আগেই নির্মাণ শেষ হয়। তিন বছরধরেই চলছে কার্যক্রম। হঠাৎ করে ব্যয়বহুল এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কেন আয়োজন করা হলো তা কেউ জানেন না। পুলিশ, র্যাব, বিজেবিসহ আইনসৃঙ্খলাবাহিনীর সরব উপস্থিতিতে এলাকায় এক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ব্রাক্ষ্ণণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক সাহেব একটি তিন বছর আগের পুরোনো ভবন উদ্বোধন করতে আসবেন। আসুক বাঁধা নেই! তাই বলে কী এলাকার সব নেতাকর্মীকে তিনি প্রতিপক্ষ বানাবেন? আওয়ামীলীগের সব নেতাকর্মীকে উপেক্ষা করা কি তার জন্য উচিত?
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহীপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম এমএসসি তার আপন হয়ে গেল; আর সব নেতাকর্মীরা তার শত্রু তা না হলে দলের একজন বিদ্রোহীপ্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে কেন তিনি জনতাকে হাসাচ্ছেন?
সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার আরও বলেন, সব কিছুরই তো একটা নিয়মতান্ত্রিকতা আছে? ছায়েদুল হক সাহেব বিজয় নগর আসবেন ভালো কথা-তাই বলে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ অংগসংগঠনের কোন নেতাকর্মী জানবেন না সেটা কীভাবে হয়? দলীয় সৃঙ্খলা উপেক্ষা করা, দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতিপক্ষ বানানো তার মতো সিনিয়র একজন নেতার জন্য মোটেও সমীচিন নয়। দূর্ভাগ্যজনক ব্যাপর হলো, সদর ও বিজয়নগরের এমপি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা এবং জেলার সভাপতি মোকতাদির চৌধুরীকেও তিনি জানান নি। আমন্ত্রণও দেননি। বিষয়টি চরম হাস্যকর এবং অপমানজনক। এই অপমানের কারণেই স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। তার একগুয়েমির কাছে-জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা, ইউনিয়নসহ সব নেতারা অসহায় হয়ে পড়েছে বলেও জানান সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার।
বিজয়নগর উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তানভির ভুইয়া ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, এড. জহিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে মৎসমন্ত্রী অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেন।
এডভোকেট তানভির ভুইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মৎসà