শাহনূর শাহীন : উপমহাদেশে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় কওমি ও আলিয়া দুটি ধারা চলে এসেছে শত বছর ধরে। অবিভক্ত ভারত বর্ষে কওমি মাদরাসার সূচনা হয়েছে বেসরকারিভাবে গণমানুষের সহায়তায়। অপরদিকে আলিয়া মাদারাসার গোড়াপত্তন ঘটে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায়। শুরুর দিকে উভয় মাদরাসার সিলেবাস একই ছিল। ক্রমান্বয়ে সরকারি হস্তক্ষেপে আলিয়া মাদারাসার সিলেবাস সংকুচিত হয়েছে। সংকুচিত হয়েছে আলিয়া মাদারাসায় ইসলামিক জ্ঞানভাণ্ডারও।
ভারত এবং পাকিস্তানে আগ থেকেই কওমি মাদারাসার সনদের স্বীকৃতি ছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার কওমি মাদরাসার দাওরা হাদিসের সনদকে মাস্টার্সের সমমান দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ নিয়ে নানান মহলে নানান রকম আলোচনা-সমালোচনা ও তর্ক-বিতর্ক চলছে। স্বীকৃতির ফলে কওমি মাদরাসা তার ঐতিহ্যে ঠিক রাখতে পারবে কিনা, কিংবা দাওরা হাদিসের সনদ মাস্টার্সের সমমান পাওয়ার যোগ্যতা রাখে কিনা এসব বিষয়ে আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে মুখোমুখি হয়েছিলাম দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি আলিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল ও বিভিন্ন আলিয়া মাদরাসা এবং ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রদের সাথে।
[caption id="" align="alignleft" width="368"]
আ.খ.ম. আবু বকর সিদ্দিক, প্রিন্সিপাল দারুন নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা।[/caption]
আশা করি, কওমি মাদরাসা তার স্বকীয়তা রক্ষা করতে পারবে
আ. খ. ম আবু বকর সিদ্দিক
স্বীকৃতির বিষয়ে দারুন নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল বলেন, সবেমাত্র প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে, বিষয়টা এখনই স্পষ্ট হয়নি তাই এখনই এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা যায় না। তবে কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা বহাল রেখে স্বীকৃতি হলে সেটা অবশ্যই ইতিবাচক হবে। সনদের মানগত প্রশ্নেও তিনি প্রায় অভিন্ন কথাই বলেন। তিনি বলেন, সরকার কীভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে নীতিমালা প্রণয়ন হওয়ার পর সবকিছু স্পষ্ট হবে। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত ভালো মন্দ মন্তব্য করা যায় না।
সারাদেশে হাতেগোনা কয়েকটি আলিয়া মাদরাসা বাদে অধিকাংশ আলিয়া মাদরাসার পড়াশুনা, ছাত্র আমল আখলাক খুব শোচনীয়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে কওমি স্বীকৃতির ফলে এমন কোনো আশংকা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এà¦