সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২১ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকাগামী চলন্ত ট্রেনের হুক ছিঁড়ে দুই বগি বিচ্ছিন্ন তারেক-ফখরুলের সঙ্গে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবের সৌজন্য সাক্ষাৎ একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না: তারেক রহমান নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক: সিইসি এ সরকারের মেয়াদেই হাদি হত্যার বিচার কাজ শেষ করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশজুড়ে ঠান্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১  লাখ জাতীয় নির্বাচনে ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, কোন দলে কত জন? ভেনেজুয়েলার পর এবার কলম্বিয়া ও কিউবায় সরকার পতনের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের  ‘গুণ ও আখলাকে হুজুর সমসাময়িকদের মধ্যে অনন্য’ বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও নেগরান-মুমতাহিন নিয়োগপত্র বিতরণ শুরু

ভেজাল ওষুধে শিশু মৃত্যুর মামলায় ৬ আসামী খালাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

parasitamol-2আওয়ার ইসলাম: বাদীর অদক্ষতা ও অবহেলার কারণে ভেজাল প্যারাসিটামল পানে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় সাত বছর আগে দায়ের করা মামলার ৫ আসামি মুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা ওষুধ আদালতের বিচারক এম. আতোয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
আজকের (সোমবার) রায়ে মুক্তি পান রিট ফার্মাসিউটিক্যাল মালিক মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী ও কোম্পানি পরিচালক শিউলি, পরিচালক আব্দুল গণি এবং ফার্মাসিস্ট মাহাবুবুল ইসলাম ও এনামুল হক।

২০০৯ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২৮ জন শিশু মারা যায়। এর ফলে ড্রাগ কর্তৃপক্ষ ২২ জুলাই রিড ফার্মার কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। এঘটনায় সরকার সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে।

২৯ জুলাই তদন্ত কমিটি ঘোষণা করে, তারা রিড ফার্মার সিরাপে বিষাক্ত পদার্থ ডাই-ইথানল গ্লাইকল শনাক্ত করা হয়েছে। উৎপাদন ব্যয় কমাতে রিড ফার্মা প্রোপাইলন গ্লাইকল ব্যবহারের পরিবর্তে এটা ব্যবহার করত।
সে সময় সরকার রিড ফার্মার রিডাপ্লেক্স (ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স সিরাপ) এবং টেমসেট (প্যারাসিটামল সাসপেনশন) নামে দুইটি ড্রাগ নিষিদ্ধ করে।

ড্রাগ সুপারিনটেনডেন্ট শফিকুল ইসলাম ২০০৯ সালের ২১ জুলাই ঢাকার একটি আদালতে রিড ফার্মার পাঁচ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান, মিজানুরের স্ত্রী পরিচালক শিউলী রহমান, আব্দুল গণি,ফার্মাসিস্ট মাহবুবুল ইসলাম এবং এনামুল হক।

মামলার অবজারভেশনে আদালত বলে, এ মামলায়  বাদীর  অযোগ্য, অবহেলা, অদক্ষতায় এই আসামিরা খালাস পেলেন। বাদী স্যাম্পল সংগ্রহের সময় কোম্পানি থেকে না করে শিশু হাসপাতাল থেকে করায় প্রকৃত ফল পাওয়া যায়নি।

এবিআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ