মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

|| মুফতি বুরহানুদ্দিন জারিফ ||

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। নানামুখি আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় পেরিয়ে, নানা মতান্তর আর রেষারেষির কণ্টকাকীর্ণ পথ মাড়িয়ে অবশেষে মহাসত্যের জয় হয়েছে। শত নিয়ম-কানুন ও সংকীর্ণ শত্রুতার বেড়াজাল ছিন্ন করে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদের প্রধান খতিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বাজিতপুরের 'আপামর' জনতার হৃদয়ের স্পন্দন, মুজাহিদে মিল্লাত পীরে কামেল আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ আব্দুস সাত্তার সাহেব (হাফিযাহুল্লাহু তাআলা)।

এই নিয়োগ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পদপ্রাপ্তি নয়, বরং বাজিতপুরের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত হৃদয়ের দাবির এক ঐতিহাসিক ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিফলন। দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে যিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে বাজিতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব এবং বাজিতপুর বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদ মাদরাসার সুখ্যাত মুহতামিম হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে আসছেন, তাঁর এই নতুন যাত্রা পুরো বাজিতপুরবাসীর জন্য এক পরম আনন্দ, স্বস্তি ও গৌরবের নতুন অধ্যায়। আজ সর্বস্তরের উলামা ও জনতার একটাই আকুল প্রার্থনা ও জোরালো দাবি—হযরত যেন তাঁর আপন মর্জি মোতাবেক জীবনের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত এই নবনির্মিত মডেল মসজিদে এবং তৎসংলগ্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে আপন পদে সগৌরবে বহাল থাকেন।

নূরানী অবয়ব, ইলমি গভীরতা ও উস্তাদদের নেক নজর:

মহান আল্লাহ তাআলা হযরতকে যেমন দান করেছেন একটি অনিন্দ্য সুন্দর নূরানী ও জ্যোতির্ময় চেহারা, তেমনি সমান্তরালে ভূষিত করেছেন গভীর ইলম, আমল আর এক অকুতোভয় সাহসী ও আপসহীন মনোভাব দিয়ে। তাঁর জীবনের এই অনন্য উচ্চতার পেছনে রয়েছে তাঁর সম্মানিত আসাতিযায়ে কেরামের আন্তরিক দুআ আর নেক নজর। তবে এই প্রভূত আশীর্বাদ তিনি কেবল এমনিই পাননি; নিজের নিষ্ঠাপূর্ণ খেদমত, সুন্দর ও অমায়িক ব্যবহার এবং প্রখর মেধা দিয়ে তিনি উস্তাদদের সেই পরম ভালোবাসা ও অবিচল আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। তিনি খতিবে মিল্লাত আল্লামা আতাউর রহমান খান (রহ.), ফিদায়ে মিল্লাত আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ্ (রহ.) এবং আল্লামা শফিকুর রহমান জালালাবাদী (হাফিযাহুল্লাহ)-দের একান্ত স্নেহধন্য ও বিশ্বস্ত শীর্ষসৈনিক শাগরিদ। কিশোরগঞ্জ ওলামায়ে কেরামের নয়নমণি, উস্তাযুল ওলামা ওয়াল আসাতিযা, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবীদ ও দাঈ ইলাল্লাহ্ হযরত মাওলানা আব্দুস সাত্তার সাহেব একাধারে একজন রাহবরে বরহক্ব, খতিবে আকবর এবং রাজপথের এক সত্যিকারের সিপাহসালার।

ছাত্রের চোখে দেখা এক অনন্য ত্যাগী পুরুষ:

হযরতের অত্যন্ত স্নেহধন্য ছাত্র হিসেবে যারা তাঁকে খুব কাছ থেকে দেখার বিরল সুযোগ পেয়েছেন, তারা সাক্ষ্য দেন যে তিনি কতটা নিভৃতচারী, মুখলিস ও মহান ত্যাগী একজন মানুষ।

যার সাক্ষী আমি নিজেও। মাঠপর্যায়ে দীর্ঘ কর্মজীবনে এত বড় বড় দায়িত্ব পালন করতে গেলে কাজে কর্মে টুকটাক ঊনিশ-বিশ বা ভুলত্রুটি হওয়াটা মানবীয় দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই স্বাভাবিক। আর তা যদি হয় বাজিতপুরের মতো একটি বড় ও জটিল জায়গায়, যেখানে হাজারো মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মন ও মতের মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে সবার মন জুগিয়ে চলাটা ছিল আরও কঠিন ও দুঃসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু হযরত তাঁর আকাশসম ধৈর্য ও অসাধারণ বিচক্ষণতার মাধ্যমে সবকিছু চমৎকারভাবে সামাল দিয়ে আজ সফলতার এই সর্বোচ্চ চূড়ায় এসে পৌঁছেছেন।

বাজিতপুরের দীনী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও হকের সংগ্রামে হযরতের অসামান্য অবদান:

অনন্য অবিচলতা ও পর্বতসম ধৈর্য:

বাজিতপুরের স্থানীয় পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতার যে জটিলতা, সেখানে হযরতের স্থানে অন্য কোনো সাধারণ আলেম থাকলে হয়তো এই দীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে পারতেন না। এত ঝড়-ঝাপটা, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রতিকূলতা এবং বৈরি পরিবেশের মুখোমুখি হয়ে অন্য কেউ হলে হয়তো মাঝপথেই হাল ছেড়ে দিতেন কিংবা স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হতেন। কিন্তু হযরত মাওলানা আব্দুস সাত্তার সাহেব সাধারণ কোনো ব্যক্তিত্ব নন; তাঁর জায়গায় অন্য কেউ এত বছর টিকে থাকা তো দূরের কথা, ভাবতেও পারতো না। সমস্ত ঝড়-ঝাপটা বুক পেতে সামলে নিয়ে তিনি যেভাবে বছরের পর বছর টিকে রয়েছেন এবং দ্বীনের ঝান্ডা উড্ডীন রেখেছেন, তা কেবল তাঁর মতো একজন খাঁটি আল্লাহর অলির পক্ষেই সম্ভব।

দীনের স্বার্থে আপসহীন ও চড়াই-উতরাইয়ের এক কণ্টকাকীর্ণ পথ:

এই দীর্ঘ ও কঠিন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হযরতকে অসংখ্য চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে নানাজনের নানা কটু কথা আর ভিত্তিহীন সমালোচনা। কিন্তু দীনের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি সবসময় চরম বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন দল থেকে শুরু করে বিরোধী দল—রাজনৈতিক অঙ্গনের সবাইকে সুন্দরভাবে সামাল দিয়ে, দীনের স্বার্থে কখনও সবাইকে আপন করে নিয়েছেন, আবার প্রয়োজনবোধে কৌশলে এড়িয়ে চলেছেন। যেকোনো মূল্যে দীনকে সবকিছুর উর্ধ্বে প্রাধান্য দিয়ে তিনি আজ এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে এসেছেন।

ছিদ্রান্বেষীদের কানাঘুষা ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা:

দুঃখজনক হলেও সত্য, সমাজের কিছু অসচেতন ও ছিদ্রান্বেষী মানুষ সর্বদা হযরতকে নিয়ে নানামুখী কানাঘুষা ও ষড়যন্ত্রে মেতে থেকেছে। কিন্তু যিনি আল্লাহর ওপর ভরসা করেন, দুনিয়ার কোনো অপশক্তি তাকে টলাতে পারে না। হযরত তাঁর পর্বতসম স্বচ্ছতা, তীক্ষ্ণ বিচক্ষণতা আর সুউচ্চ উদারতার বদৌলতে শত্রুপক্ষের কোনো রক্তচক্ষু বা হুমকি-ধমকিকে কখনো পরোয়া করেননি। সত্য ও ন্যায়ের পথে তিনি সবসময় অবিচল থেকেছেন।

তাড়াইল থেকে বাজিতপুর:

এক মহৎ আত্মত্যাগের ইতিহাস:

হযরত সুদূর তাড়াইল উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। একজন প্রাজ্ঞ ও মুখলিস আলেম হিসেবে তিনি চাইলে অনায়াসেই নিজ এলাকায় নিজের যোগ্যতাবলে দীনের আলো ছড়াতে পারতেন, দেশজোড়া খ্যাতি কুড়াতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছা ও স্বাচ্ছন্দ্যকে বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁর পরম মুরুব্বি ও উস্তাযগণের পরামর্শ ও নির্দেশকে শিরোধার্য করে তিনি বাজিতপুরের মাটি ও মানুষকে আপন করে নিয়েছেন। বাজিতপুরেই নিজের পূর্ণ জীবন, মূল্যবান সময় এবং যৌবনের পুরোটা সময় কোরবানি করে যাচ্ছেন।

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে প্রাজ্ঞতার সাথে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা:

বাজিতপুরের মানুষ ভালো করেই জানেন, ইতঃপূর্বে বাজিতপুর কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং কেন্দ্রীয় মসজিদ মাদরাসা পরিচালনা করতে গিয়ে হযরতকে কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। নানা প্রতিকূলতা, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখে তাঁকে প্রচুর কাঠখড় পোহাতে হয়েছে। কিন্তু সমস্ত বাধা-বিপত্তিকে তিনি তাঁর অতুলনীয় প্রাজ্ঞতা, ধীশক্তি এবং দূরদর্শিতা দিয়ে অত্যন্ত সফলভাবে মোকাবেলা করেছেন। তাঁর সেই দক্ষ পরিচালনার ফলেই আজ প্রতিষ্ঠানগুলো সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে।

প্রলোভন উপেক্ষা ও বাজিতপুরের প্রতি অবিচল আনুগত্য:

কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে হযরতের কাছে দেশের বড় বড় দীনি প্রতিষ্ঠান ও সুপরিচিত মসজিদ (রাজধানী ঢাকাসহ) থেকে বিপুল সুযোগ-সুবিধা এবং উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পদের আকর্ষণীয় অফার এসেছিল। কিন্তু তিনি কোনো পার্থিব লোভ-লালসার কাছে মাথা নত করেননি। জামিয়া ইমদাদিয়া মাদরাসার আসাতিযায়ে কেরাম—বিশেষ করে এদেশের প্রখ্যাত আলেম, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ সাহেব (রহ.)-এর বিশেষ পরামর্শ ও নির্দেশনায় তিনি বাজিতপুরেই থেকে যান এবং এখানকার মানুষের খেদমতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।

হকের সংগ্রামে অকুতোভয় সিপাহসালার ও বাতিলের আতঙ্ক:

বাজিতপুরের মাটিতে যখনই ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসে আঘাত এসেছে, যখনই কোনো বাতিল শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, হযরত মাওলানা আব্দুস সাত্তার সাহেব তখন আর ঘরের কোণে বসে থাকেননি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, সমস্ত ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে তিনি দণ্ডায়মান হয়েছেন হকের পক্ষে।

রাজপথের এই লড়াকু সৈনিকের বজ্রকণ্ঠের হুংকার বাতিল শক্তির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। বাজিতপুরে যেকোনো দ্বীনী আন্দোলন, মিছিল, মিটিং, প্রতিবাদ ও সমাবেশ তাঁরই নেতৃত্বে গড়ে ওঠে। তাঁর গর্জন আর হুংকারে বাজিতপুরের অসংখ্য বাতিল, ধর্মদ্রোহী, বেদাতী এবং দ্বীনের নামে ভণ্ডামির অপতৎপরতা স্তব্ধ হয়েছে। আজ বাজিতপুরে ইসলামের শক্তিশালী যে ঘাঁটি গড়ে উঠেছে, তার মূল কেন্দ্রবিন্দু তিনিই।

সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বস্তরের গ্রহণযোগ্যতা:

বাজিতপুরের প্রতিটি স্তরের মানুষের সুখ-দুঃখে, আপদে-বিপদে হযরত সবসময় অভিভাবকের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। দল-মত, পেশা ও শ্রেণী নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি একজন পরম শ্রদ্ধেয় ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্ব। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, তরুণ সমাজকে মাদকের অন্ধকার থেকে ফিরিয়ে আনা এবং পারস্পরিক কলহ বিবাদ মীমাংসায় তাঁর সামাজিক নেতৃত্ব বাজিতপুরকে বারবার কলঙ্কমুক্ত ও শান্ত রেখেছে। ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী, সাধারণ জনতা থেকে শুরু করে প্রতিটি সেক্টরের লোকজন একবাক্যে স্বীকার করেন যে, বাজিতপুরের আজকের এই সুশৃঙ্খল ও দ্বীনি পরিবেশের পেছনে হযরতের ত্যাগ ও অবদান অনস্বীকার্য।

উপসংহার

তিনি এক স্বর্ণমানব, বাংলার তৌহিদী জনতার জন্য যেন এক অমূল্য সোনার হরিণ! কোনো বাতিল, তাগুত কিংবা অপশক্তি তাঁকে কখনো দমিয়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না ইনশাআল্লাহ। তিনি চিরস্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছেন বাজিতপুরের প্রতিটি আলেম-ওলামা ও দ্বীনপ্রিয় তাওহীদী জনতার হৃদয়ের মণিকোঠায়। শত্রুপক্ষের শত চক্রান্ত, প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং রেষারেষি ডিঙিয়ে তাঁর এই ঐতিহাসিক মডেল মসজিদের খতীব পদে আসীন হওয়া আবারও প্রমাণ করে—"আল্লাহ যাকে সম্মানিত করতে চান, দুনিয়ার কোনো শক্তি তাকে হেয় করতে পারে না।"

আল্লাহপাক শায়খের হায়াতে বারাকাত নসিব করুন। তাঁর নেতৃত্বের হাতকে আরও শক্তিশালী করুন এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই গৌরবময় খেদমত আঞ্জাম দেওয়ার তৌফিক দান করুন। নতুন এই বিশাল দ্বীনি প্ল্যাটফর্ম থেকে হযরত যেন আরও ব্যাপকভাবে দ্বীন, মিল্লাত ও মানবতার সেবা করে যেতে পারেন, মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দীর্ঘায়ু ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ তাআলা হযরতের এই নতুন যাত্রাকে কবুল ও মঞ্জুর করুন। আমীন, ছুম্মা আমীন।

লেখক: হজরতের নগণ্য শাগরিদ, ঈশ্বরগঞ্জ, মোমেনশাহী

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ