|| হাসান আল মাহমুদ ||
ইউসুফ। রামগঞ্জ উপজেলার ডোমনদী গ্রামের এক বালক। সবে কৈশোর পার করেছে। নিজ এলাকার আশরাফুল উলুম মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে নাগমুদ মাদ্রাসায় পড়ছে ৮ম শ্রেণিতে। এসময় এলাকার একজন আলেম ঢাকা সাভারের এক মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন। নাম তাঁর হাফেজ নুরুল্লাহ। তার হাত ধরেই ইউসুফের নবীনগর (সাভার) বাইপাল আলামীন মাদ্রাসায় এসে ভর্তি হওয়া কিতাব বিভাগে। এখানে তাইসীর (৫ম শ্রেণি) শেষ করে মিজান জামাত (৬ষ্ঠ শ্রেণি) শেষের দিকে থাকাবস্থায় হেফজ পড়ার ইচ্ছা জাগে। তখন হাফেজ নুরুল্লাহ সাহেবকে বিষয়টা জানালে তিনি বললেন, ‘আলেম হবার পরেও হিফজ পড়া যায়। তখন আরও সহজে হাফেজ হওয়া যায়।’
প্রিয় শিক্ষকের কথায় ইউসুফ একদিন ঠিকই হাফেজ হলেন। মাত্র ২৮ দিনে। ততক্ষণে নিজের নামের সাথে জুড়ালেন ‘মাওলানা’র টাইটেলও। রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামেয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া থেকে ২০০৯-১০ সালে দাওরায়ে হাদীস সম্পন্ন করেন। তারপর ২০১১ সালে পূবাইল (পিপুলিয়া) হাফেজিয়া মাদ্রাসা হতে মাত্র ২৮ দিনে কোরআনে হাফেজ হওয়ার বিরলর কৃতিত্ব অর্জন করেন।