আর কয়েক দিন পরই কোরবানির ঈদ। এরই মধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশে পশুর হাট বসে গেছে। সেখানে আসা শুরু করেছে কোরবানির পশু। এবার ঈদে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ পশু প্রস্তুত আছে। সবাই চান মোটাতাজা একটি গরু কোরবানি দিতে। তবে গরু মোটা পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু হৃষ্টপুষ্ট ও সুস্থ গরু পাওয়া যায় না। কারণ, কৃত্রিমভাবে অনেক গরু মোটাতাজা করা হয়।
ঈদের আগে কয়েকদিন ধরে সারাদেশে অস্থায়ী পশুর হাটে চলে গরু কেনা-বেচা। আর বেশি লাভের আশায় অনেক ব্যবসায়ী স্টেরয়েড ব্যবহার করাসহ নানা উপায় অবলম্বন করে গরু দ্রুত মোটাতাজা করা হয়। সেসব গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
স্টেরয়েড মূলত হাঁপানির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এ জাতীয় ওষুধ যেমন- ডেক্সামেথাসন বা ডেকাসন, বেটামেথাসন ও পেরিঅ্যাকটিন অতিরিক্ত মাত্রায় দিলে গরুর কিডনি ও যকৃতের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ায় শরীর থেকে পানি বের হতে পারে না। এ কারণে শোষিত হয়ে পানি সরাসরি গরুর মাংসে চলে যায়। ফলে গরুকে মোটা দেখায়।
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে:
১. যেসব গরুর চেহারা স্বাভাবিক উষ্কখুষ্ক এবং চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে থাকে। সেগুলো সুস্থ ও প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা গরুর লক্ষণ। বেশি চকচক করা গরু বা ছাগলের ক্ষ