সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, সরেজমিনে তদন্তে বেফাক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: বিশেষ প্রতিনিধি

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ এবং তাকে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে ওই মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। দেশজুড়ে তোলপাড় করা এই ঘটনাটি তদন্ত করছে কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে এবং সেই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

বুধবার (৬ এপ্রিল) সকালে বেফাকের নেত্রকোনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ুমের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে তদন্তে যান। সেখানে তারা ভিকটিম মাদরাসা শিক্ষার্থী, তার পরিবারের সদস্য, আশপাশের ব্যক্তিবর্গ এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আমরা অভিযুক্ত এবং ভিকটিম দুই পরিবারের সঙ্গেই কথা বলেছি। ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা ওই মাদরাসা শিক্ষককে দায়ী করছেন, কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা তা অস্বীকার করছেন। এজন্য আমরা এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারছি না। আমরা বিষয়টি ডিএনএ টেস্ট করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

 নেত্রকোনার বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক প্রকৃত অর্থে দায়ী হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হোক সেটা আমরা চাই। আর ঘটনা সত্য না হলে মাদরাসার বিরুদ্ধে কারা এভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে তাদেরও আমরা বিচার চাই।

তিনি জানান, তারা তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন। সেই প্রতিবেদন বেফাকে জমা দেবেন।  

এর আগে বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যার-১৪ এর একটি অভিযানিক দল অভিযুক্ত মাদরাসা ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। তার বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় জীবিকার জন্য মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি জানার পর তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়ের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে অবগত হন। পরে গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা গত বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছিল।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ