রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

গাজায় আগুন, রক্ত আর শিশুর কান্না, মানবতার পরাজয়ে কাঁদছে বিশ্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান

‎ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অব্যাহত বোমাবর্ষণে প্রতিদিন ঝরছে নিরপরাধ মানুষের রক্ত। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, বিদ্যালয় ও মসজিদ। রক্তে ভিজে গেছে গাজার প্রতিটি গলি, শিশুর কান্না আজ আকাশ বিদীর্ণ করছে। অথচ তথাকথিত মানবাধিকার রক্ষাকারীরা আজ নির্বাকজাতিসংঘের নীরবতা যেন হত্যাযজ্ঞের নৈতিক অনুমোদন দিচ্ছে।

‎ইসরাইলের দখলদার বাহিনী যেভাবে নারী-শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর বর্বরতা চালাচ্ছে, তা ইতিহাসের নৃশংসতম অধ্যায় হয়ে থাকবে। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের শাসকরা আজও চুপ, কেউ কেউ নীরব সমর্থন দিয়ে এই জুলুমকে দীর্ঘায়িত করছে।

‎গাজায় প্রতিদিন যে রক্ত ঝরছে, তা শুধু ফিলিস্তিনের নয়, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর রক্তক্ষরণ। যারা আল্লাহর পথে দাঁড়িয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের জন্য দো’আ, সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের যে দায়িত্ব পালন করছি, তা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন ঐক্য, সাহস ও কর্মপ্রেরণায় উজ্জীবিত একটি মুসলিম বিশ্ব।”‎

‎আজ ফিলিস্তিনের শিশুরা আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করছে—

‎‘যখন আমরা মরছিলাম, তোমরা তখন কোথায় ছিলে?’

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ