শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

তিস্তার পানি কমলেও ভোগান্তি কমেনি মানুষের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে কয়েকদিন থেকেই। তবে প্লাবনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি নদীপাড়ের মানুষদের। সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর আগে রোববার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টায় পানি ছিল বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে, সকাল ৯টায় তা বিপৎসীমায় পৌঁছে যায়। এরপর দুপুরে তা ৫ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে। তবে রাতের পর থেকে পানি কমতে শুরু করেছে।

তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ৮-১০ হাজার পরিবারের বাড়িঘরে পানি ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডালিয়া ব্যারাজের ভাটিতে থাকা লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা ও কালিগঞ্জ উপজেলার চর ও গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। বাড়িঘরে হাঁটুসমান পানি উঠেছে। মানুষজন পরিবার-পরিজন নিয়ে উঁচুস্থানে সরে গেছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (বাপাউবো) জানায়, রংপুর বিভাগের ধরলা নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমার স্থিতিশীল। তিস্তার পানি আপাতত কমলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে আবারও বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলে নতুন করে বন্যা দেখা দিতে পারে।

ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দিয়েছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইসগেট (জলকপাট) খুলে রাখা হয়েছে। আমরা সতর্কাবস্থায় আছি।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ