শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

কে হচ্ছেন মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর স্থলাভিষিক্ত?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গত ৪ এপ্রিল ইন্তেকাল করেছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ আলেম, হজরত হাফেজ্জী হুজুর রহ.-এর সাহেবজাদা মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী। তিনি বেশ কিছু পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এর মধ্যে বাবার প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা ও দলের প্রধান ছিলেন। কামরাঙ্গীরচর জামিয়া নূরিয়ার মুহতামিম এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির এবং কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আম্বর শাহ (রহ.) শাহি জামে মসজিদের প্রধান খতিব। 


মাওলান আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর ইন্তেকারের পর তাঁর পদগুলোতে কারা স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সেটা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নূরিয়া মাদরাসা এবং খেলাফত আন্দোলনে কে হচ্ছেন তাঁর উত্তরসূরি সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে নানা মহলে। 


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রবীণ এই আলেমে দীন ইন্তেকালের আগে প্রায় সাত আট মাস শয্যাশায়ী ছিলেন। তাঁর অবর্তমানে কারা দায়িত্ব পালন করবেন সেটা তখনই মোটামুটি ঠিক হয়ে যায়। 


খেলাফত আন্দোলনের একজন শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করে আওয়ার ইসলামকে বলেন, উনি অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তিনি থাকতেই সাত সদস্যের একটি মজলিসে ইহতেমাম করে যান। 


সেই মজলিসে ইহতেমামের সদস্য কারা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাফেজ্জী হুজুরের ভাতিজা এবং নূরিয়া মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা ফারুক আহমদ (হাজী সাহেব হুজুর), মাওলানা ইসমাইল বরিশালী, মাওলানা আব্দুল হক (ময়মনসিংহ), মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা শেখ আজিমুদ্দীন, মাওলানা সাঈদুর রহমান (হাফেজ্জী হুজুরের নাতি) এবং মাওলানা সানাউল্লাহ (আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর ছেলে) রয়েছেন এই কমিটিতে। আপাতত তারা পরামর্শ করেই মাদরাসা পরিচালনা করবেন।  

এদিকে খেলাফত আন্দোলনের নেতৃত্ব ঠিক হবে আগামী ২৬ এপ্রিল। সেদিন মজলিসে শূরার বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানেই পরবর্তী নেতৃত্ব বাছাই করা হতে পারে। 
ওই নেতা জানান, বর্তমান মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজীই পরবর্তী আমির হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এক্ষেত্রে একজন মহাসচিব নির্বাচিত হবেন। সেখানে অনেকেই আলোচনায় আছেন। তবে মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদীর নাম বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে। 


তবে হেফাজতে ইসলাম এবং বেফাকে মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীর স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন সে সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। সূত্র জানিয়েছে, দুটি প্রতিষ্ঠানেই কেউ ইন্তেকাল করলে পদগুলো সাধারণত শূনই  থাকে। সুবিধাজনক সময়ে সেগুলো পূরণ করা হতে পারে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ