রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ

ইজতেমার মাঠে জায়গা না পাওয়া মুসল্লি: ত্যাগ স্বীকার করতেই এসেছি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

৫৬ তম বিশ্ব ইজতেমার মূল পর্বের দুইদিন আগেই লোকজন জমায়েত হয়ে গিয়েছেন মাঠে। মাঠে জায়গা না পেয়ে সামিয়ানা টানিয়েছেন রাস্তায়৷ প্রতিবার এমন সময় এসেও ময়দানে স্থান পান৷ এবারের ইজতেমায় পূর্বের রেকর্ড ভাঙা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সমাগমে এবার ময়দানে স্থান পাননি৷ তাদের সাথে কথা বলে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন আওয়ার ইসলামের ইজতেমা প্রতিনিধি, লেখক, আলেম মুযযাম্মিল হক উমায়ের।


তুরাগ নদির তীরে চলছে তাবলিগ জামাতের সবচেয়ে বড় জমায়েত৷ এবারের ধর্মপ্রাণ লোকজনের উপস্থিতি পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে৷ লোকজন দুই দিন আগে এসেও ময়দানে স্থান পাইনি৷ আশ্রয় পেয়েছেন ফুটপাতে৷ জানতে চেয়েছিলাম তাদের দিনকাল কেমন চলছে৷ কয়েকজনের অনুভূতি নিচে তুলে ধরছি৷

রনি ভাই রাজশাহী থেকে এসেছেন৷ এটিই তার ইজতেমায় প্রথম আসা৷ স্থান পেয়েছেন কামারপাড়া রোডের রাস্তায়৷ জানতে চেয়েছিলাম ময়দানে জাগা না পেয়ে তার কেমন লাগছে৷ বললো, আলহামদুলিল্লাহ৷ ইজতেমায় শরিক হতে পারায় নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন৷ শত কষ্ট হলেই সামনের ইজতেমাতে অংশগ্রহণ করবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেন৷ দোয়াও চেয়েছেন৷

কবির ভাই৷ আসছেন সিলেট কানাইঘান থানা থেকে৷ তিনিও জাগা পেয়েছেন রাস্তায়৷ উপরে কোনো সামিয়ানা নেই৷ জানতে চেয়েছিলাম অনুভূতিটা কেমন৷ তিনি জানালেন, রাস্তায় স্থান পাওয়াতে কোনো দুঃখ-কষ্ট নেই৷ হাসি দিয়ে জানালেন, এখানে আসছিই কষ্ট করার জন্য৷ ত্যাগ স্বীকার করার জন্য৷ আরাম করার জন্য আসিনি৷ তিনিও জানালেন, সামনের ইজতেমাতেও অংশগ্রহণ করবেন৷

ভাই আফসার আলি৷ আসছেন জামালপুর বকশিগঞ্জ থেকে৷ অন্যরা সাথীরা ময়দানে স্থান পেলেও তারা কয়েকজন স্থান পেয়েছে ফুটপাতে৷ তিনি ২০১৪ সাল থেকে এই ময়দানে আসেন৷ জানতে চেয়েছিলাম অন্য সাথীরা ভিতরে আপনারা রাস্তায় এই বিষয়টি কষ্ট দেয় কি না৷ তিনি জানালেন, মোটেও না৷ কারণ, উপরওয়ালা আমাদের থাকার জন্য এই স্থানকেই বরাদ্দ করেছেন৷ আল্লাহ তায়ালার ফায়সালাতে আমরা সন্তুষ্ট৷ যারা ভিতরে তাদের ফায়দার জন্য আল্লাহ তায়ালা ময়দানের ভিতরে থাকার ব্যবস্থা করেছেন৷

রাস্তাভর্তি লোকজজন চলাচল করছে৷ তারা সকলের সামনেই খেতে বসেছেন৷ জানতে চেয়েছিলাম, লোকজনের সামনে খাওয়াতে কোনো সংকুচতা কাজ করে কি না৷ তিনি জানালেন, না৷ ভালোই লাগে৷ কারণ, তিনি এতো বড়ো মজমাতে অà¦