মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

সংবিধানবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সংবিধানবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘সংবিধানবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রান্ত রুখে দিতে জনগণকে সজাগ থাকতে হবে।’

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি সামরিক শাসন কায়েম করে গণতন্ত্রকে চিরতরে হত্যার চেষ্টা করেছিল উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি দিয়েছিল সামরিক শাসকরা। স্বৈরশাসকরা ৫ম ও ৭ম সংশোধনীর মাধ্যমে তাদের সব কুকীর্তিকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু অল্প সময়ে জাতিকে একটি সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন, এটি তার দেয়া এক অনন্য কীর্তি বলেও জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও দলীয় স্বার্থে সংবিধানের ব্যবহার কখনও শুভ হতে পারে না।

সংবিধানের পবিত্রতা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, বিচার বিভাগ ও আইনজীবীদের এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

গণতন্ত্রের চর্চা ও মূল্যবোধের বিকাশ যত বাড়বে সংবিধানের কার্যকারিতা এবং মর্যাদাও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপ্রধান। আবদুল হামিদ দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানবাধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি শান্তি ও সঙ্কটে সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষক হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বিচারকরা তাদের মেধা ও মনন প্রয়োগের মাধ্যমে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন বলে আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশনা স্মারক ‘ফিফটি ইয়ার্স (১৯৭২-২০২২) লিটারেচার অ্যান্ড লিগেসি অব সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সাংবিধানিকভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে অবিচল থাকবে।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, শ্রীলঙ্কার প্রধান বিচারপতি জয়ন্ত জয়সুরিয়া, পিসি, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি, বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন ফকির এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ