বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


যেকারণে নেশাদ্রব্যের বৈধতা দেয়নি ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা সাঈদ আহমদ
সিনিয়র শিক্ষক, দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী।।

মাদকদ্রব্য মানুষের দৈহিক, মানসিক বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। মাদক গ্রহীতা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সমস্যা সৃষ্টি করে। ইসলাম মাদক ও নেশাদ্রব্য গ্রহণকে হারাম করেছে। এগুলো বৈধ মনে করা কুফরী বলেছে। সুতরাং এগুলো কোনভাবেই কারো জন্য বৈধ হওয়ার কিংবা বৈধতা দেওয়া ও লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ নেই। যেই বস্তু ২১ বছরের আগে অবৈধ, তা ২১ বছরের পরে কিভাবে বৈধ হতে পারে?

নিম্নে এ সম্পর্কে আয়াত ও কিছু হাদিস উল্লেখ করা হলো- یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّمَا الۡخَمۡرُ وَالۡمَیۡسِرُ وَالۡاَنۡصَابُ وَالۡاَزۡلَامُ رِجۡسٌ مِّنۡ عَمَلِ الشَّیۡطٰنِ فَاجۡتَنِبُوۡہُ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ

হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমার বেদি ও জুয়ার তীর অপবিত্র, শয়তানী কাজ। সুতরাং এসব পরিহার কর, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর।

اِنَّمَا یُرِیۡدُ الشَّیۡطٰنُ اَنۡ یُّوۡقِعَ بَیۡنَکُمُ الۡعَدَاوَۃَ وَالۡبَغۡضَآءَ فِی الۡخَمۡرِ وَالۡمَیۡسِرِ وَیَصُدَّکُمۡ عَنۡ ذِکۡرِ اللّٰہِ وَعَنِ الصَّلٰوۃِ ۚ فَہَلۡ اَنۡتُمۡ مُّنۡتَہُوۡنَ

শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষের বীজই বপণ করতে চায় এবং চায় তোমাদেরকে আল্লাহর যিকির ও নামায থেকে বিরত রাখতে। সুতরাং, তোমরা কি (ওসব জিনিস থেকে) নিবৃত্ত হবে? —আল মায়িদাহ ৯০-৯১

হাদিস- عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: أَوْصَانِي خَلِيلِي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ: «لَا تُشْرِكْ بِاللهِ شَيْئًا، وَإِنْ قُطِّعْتَ وَحُرِّقْتَ، وَلَا تَتْرُكْ صَلَاةً مَكْتُوبَةً مُتَعَمِّدًا، فَمَنْ تَرَكَهَا مُتَعَمِّدًا، فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ الذِّمَّةُ، وَلَا تَشْرَبِ الْخَمْرَ، فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ». رَوَاهُ ابْن مَاجَه 4034 بسند حسن.

আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন আমাকে আমার হাবিব সাল্লাল্লাহু সাল্লাম ওসিয়াত করেছেন, আল্লাহ তা'আলার সাথে বিন্দু পরিমানও শিরিক করবে না। যদিও তোমাকে টুকরা টুকরা করা হয় এবং আগুনে নিক্ষেপ করা হয়।

ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ তরক করবে না। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দেয় তার থেকে আল্লাহ তায়ালা জিম্মা মুক্ত হয়ে যান। আর মদ পান করবে না। কেননা তা সব খারাপের মূল চাবিকাঠি‌। ইবনে মাজা, সনদ হাসান।

عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "ثَلَاثَةٌ قَدْ حَرَّمَ اللهُ عَلَيْهِمُ الْجَنَّةَ: مُدْمِنُ الْخَمْرِ، وَالْعَاقُّ، وَالدَّيُّوثُ الَّذِي يُقِرُّ فِي أَهْلِهِ الْخَبَثَ. رواه أحمد 5372، حديث صحيح

ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তিন ব্যক্তির জন্য আল্লাহ তাআলা জান্নাত হারাম করেছেন।
১. মদ পানকারী,
২. মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান,
৩. দাইউছ তথা যে ব্যক্তি তার à