রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮


অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হলে সিইসিকে ক্ষমা চাইতে ৩৭ নাগরিকের বিবৃতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এক সপ্তাহের মধ্যে প্রমাণে ব্যর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদাকে জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৩৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

আজ মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা সিইসির বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তারা বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি একটি অনুষ্ঠানে সিইসি নূরুল হুদা বলেছেন, কমিশনে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। আমি সিইসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেও তিনি আমার সঙ্গে একাধিকবার দেখা করে সুযোগ-সুবিধা চেয়েছিলেন।

কিন্তু তাকে কোনো সুযোগ-সুবিধা না দেওয়ায় তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করছে। তার এই বক্তব্যের জবাবে বদিউল আলম মজুমদার ইতিমধ্যে একে বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন। এবং এসব অভিযোগের প্রমাণ দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও হয়, সুজন প্রতিটি সরকারের আমলে নির্বাচনী কারচুপি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার। গত বিএনপি সরকারের আমলে আদালতে লড়াই করে নির্বাচনের প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য জানার জন্য জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। তিনি গত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্যও তিনি উদঘাটন করেন।

২০২০-২১ সালে এসব তথ্য এবং একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুজন সম্পাদক ও সুজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের ৪২ নাগরিক রাষ্ট্রপতির কাছে দুটো চিঠির মাধ্যমে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে নূরুল হুদা কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার আবেদন করেন।

নূরুল হুদার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন তারই একজন সহযোগী নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার এবং সাবেক সিইসি ড. শামসুল হুদাও।

তারা বলেন, বর্তমান হুদা কমিশন ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে চরম কারচুপি ও অনিয়ম প্রতিরোধে শুধু ব্যর্থতা নয়, বরং এর সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচন আগের রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার গুরুতর অভিযোগের তদন্ত করার এখতিয়ার থাকা সত্বেও তার কমিশন এটি না করে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়। শুধু তাই নয় এই কমিশন পেপার ট্রেইল বিহীন একটি নিম্নমানের ইভিএম পদ্ধত