শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর আহ্বান আব্বাস আরাগচির পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সেহরির সময় আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল ‘কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটভিত্তিক অপপ্রচার চলছে’ আশুলিয়ার জামেয়া রহমানিয়া আবেদিয়ায় মুহতামিম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাকিস্তানের হামলা ‘অমার্জনীয়’, সামরিক জবাবের হুঁশিয়ারি তালেবানের এনসিপির ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আশরাফ মাহদী ও সানাউল্লাহ খান কওমি ছাত্রদের কেন একক দল বা নেতার অনুসরণ করতে হবে? সারাদেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের তথ্য চেয়েছে সরকার চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মজলিসে দাওয়াতুল হকের মারকাজি ইজতেমায় আগতদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বয়ান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল্লাহ আফফান।।

মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ। সুন্নাতের মেহনত নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো এটি। যার প্রতিষ্ঠাতা হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে মিল্লাত আল্লামা আশরাফ আলী থানভি রহ.। থানভি রহ. এর খলিফা হজরত আল্লামা শাহ আবরারুল হক হারদুঈ রহ. বাংলাদেশে এ মেহনত নিয়ে অনেকবার এসেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশে এ মেহনতের জিম্মাদারী পালন করছেন মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

আজ শনিবার ফজরের পর আগত মেহমানদের উদ্দেশে স্বাগত বয়ান করেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

বয়ান তিনি বলেন, জাহেলী যুগ বলে যে যুগে কোন নবী নাই। ঈমান নাই। তাওহীদ নাই। নেকি বলতে কিছু নাই। হযরত ঈসা আ. এর সময় থেকে রাসূল সা. পর্যন্ত পৃথিবীতে কোন নবী নাই। ওহী নাই। বৃষ্টি না হইলে যেমন খড়া পড়ে। তেমন দ্বীনের খড়ে পড়ে গেছে। ঈমান শব্দটাই জানে না। এই পরিস্থিতিতে রাসূল সা. দুনিয়ায় আসছে। যখন ভূতের (মূর্তি) পূজা করা হইত। সূর্য চন্দ্রের পূজা করা হয়। আল্লাহর ইবাদতের কেউ নাই। রাসূল সা. আফতাবে নবুওয়াত হয়ে আসলেন। নবুওয়াতের সূর্য হয়ে আসলেন। সিরাজে মুনিরা হয়ে আসলেন। ফলে দুনিয়ার যত আভ্যন্তরিত অন্ধকার, আধ্যাত্মিক অন্ধকার দূর করলেন। সূর্য আস্তে আস্তে পৃথিবীর অন্ধকার দূর হয় কিন্তু পুরো পৃথিবীর অন্ধকার দূর হয়। পরে সাহাবায়ে কেরাম সে ধারাবাহিকতা আজ পর্যন্ত চলছে।

তিনি আরও বলেন, সাহাবারা হুজুরের সব সিফাতগুলো গুনগুলো যেগুলোকে আমরা সুন্নাত বলি, সেগুলো সিনার মধ্যে আটকাইয়া রাখছে। সিনার মধ্যে নবী আর ইসলাম ছাড়া কিছুই নাই। একদিন এ সাহাবী হুজুরকে জিগাইলেন, ইয়া রাসূল আল্লাহ কেয়ামত কবে হবে? প্রশ্ন দ্বারা মনের অবস্থা বুঝা যায়। কেয়ামত হল সব বন্ধ হয়ে যাবে। আখেরাত সামনে আসবে। তখনের জন্য আমার পূজি কি আছে না আছে। মনে মধ্যে খুব চাপ সৃষ্টি হইছে। মনের মধ্যে চাপ সৃষ্টি হওয়া, নিজের আমলের ক্ষেত্রে, ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে। এটা ছিল মহানবী সা. এর বড় একটা গুন। না হইলে মানুষ তার ভবিষ্যৎ ঠিক করতে পারে না। বর্তমান ঠিক করতে পারে না। এই জন্য জিগাইছে। কেয়ামতের সময় সব কিছু ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে। তখন যেন চলে আসে। রাসূলে পাক সা. জবাব দিছেন, তোমার তৈরি কি আছে? কি প্রস্তুতি আছে? প্রস্তুতি দরকার। সফরে যাইবা তোমার প্রস্তুতি কি। আমাদের কি প্রস্তুতি আছে। এটা চিন্তা ভাবনা করার জন্যই আমরা আজকে বসছি। আল্লাহ পাক আমাদের বসাকে কামিয়াবি করে দিক। আমাদের ওলি আল্লাহ বানায় দেক।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ