শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ মেটানোর আহ্বান আব্বাস আরাগচির পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সেহরির সময় আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল ‘কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটভিত্তিক অপপ্রচার চলছে’ আশুলিয়ার জামেয়া রহমানিয়া আবেদিয়ায় মুহতামিম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাকিস্তানের হামলা ‘অমার্জনীয়’, সামরিক জবাবের হুঁশিয়ারি তালেবানের এনসিপির ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে আশরাফ মাহদী ও সানাউল্লাহ খান কওমি ছাত্রদের কেন একক দল বা নেতার অনুসরণ করতে হবে? সারাদেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের তথ্য চেয়েছে সরকার চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আমি টাকা পাচার করি না, কারা করে কীভাবে জানব: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিদেশে কীভাবে, কারা টাকা পাচার করে তা জানেন না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।

শনিবার সংসদে একটি বিল পাসের আলোচনায় বিরোধীদলের সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিদেশে টাকা পাচার করি না। আমি কীভাবে জানবে কারা টাকা পাচার করে?’ টাকা পাচারকারীদের তালিকা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে বিরোধীদলের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে এক লাখ কোটি টাকার বেশি। এসব বিষয়ে তারা অর্থমন্ত্রীর জবাব চান এবং একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকভাবে বলেছেন দেশ থেকে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। আমি আপনাদের বলেছি, যারা পাচার করে তাদের তালিকা আমাকে দেন। আমি তো পাচার করি না। আমি বিশ্বাস করি আপনারাও পাচার করে না। সুতরাং পাচার কে করে, আমি জানব কেমন করে, যদি আপনারা (তালিকা) না দেন।’

মোস্তফা কামাল বলেন, ‘একটি দেশের অর্থনীতির মূল চালক হলো সে দেশের ব্যাংকিং সেক্টর। সারা বিশ্বের অর্থনীতি যখন টালমাটাল অবস্থা, সবাই কিন্তু বলছেন আমরা ভালো করছি। আপনার কাছে যদি কোনো প্রমাণ থাকে যে আমরা তাদের চাইতে অর্থনৈতিকভাবে পেছনে আছি, সেক্ষেত্রে আপনি আমার কাছে আসেন, আমি আপনাকে সমাধান দেখাব।’

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যে অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অর্থনীতি এখন একটি চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করছে। সারা বিশ্বের অর্থনীতি ৩ শতাংশ কনট্র্যাকশন হয়েছে। কিন্তু দেশে এটি হয়নি। বলা হচ্ছে ২০৩৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিমাণ হবে সারাবিশ্বে ২৫তম। অথচ আপনারা যেভাবে বলেন মনে হয় দেশে কোনো অর্থনীতি নেই, কোনো ব্যাংকিং খাত নেই, দেশে কিছুই নেই। কিন্তু কিছুই যদি না থাকবে এগুলো বাদ দিয়ে আমরা উন্নতি করছি কীভাবে? এগুলো বাদ দিয়ে আমাদের প্রবৃদ্ধি আসছে কীভাবে?'

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকের সংখ্যা বেড়েছে, গ্রাহক বেড়েছে, আমানতও বেড়েছে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেশসৃষ্টির পর থেকে সবচেয়ে কম এখন। ২০০৬ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। সেপ্টেম্বরের কোয়ার্টার পর্যন্ত ১ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এটা ৮ দশমিক ১২ শতাংশ। প্রত্যেকটা ব্যাংক লাভে আছে। ঋণ নিয়ে যারা অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ই-কমার্সের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। চলমান মামলার সংখ্যা ২ লাখ ৪৩ হাজার।’

এর আগে বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়ে বিরোধীদল জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক বলেন, ‘খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকার বেশি। কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে রাজনীতিবিদ, আমলাসহ অনেকে টাকা পাচার করেছেন বলে অভিযোগ আছে। এই অভিযোগে আমলা-রাজনীতিবিদদের বদনাম হয়।’ টাকা পাচার হয় কিনা, হলে কারা করে এটা বের করতে তিনি ব্যাংক কমিশন গঠন করে তদন্ত করার দাবি জানান।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ