রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ মাদরাসায় শিশু সুরক্ষা নীতিমালা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান আজহারীর ঢাকা মহানগর উত্তর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী শীতকালে নিজেকে সুস্থ রাখার উপকারী ১০টি টিপস ৩ দিন পর সচল হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

ইথিওপিয়ায় জরুরি অবস্থার মধ্যে আটক এক হাজার: জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইথিওপিয়ায় দুই সপ্তাহ আগে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পর অন্তত এক হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই তাইগ্রের জাতিগত সম্প্রদায়ের লোক।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) এ তথ্য জানায় জাতিসংঘ। খবর আল-জাজিরার।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান কমিশনার এক বিবৃতিতে ইথিওপিয়ায় এক হাজার জনকে আটকের বিষয়টি জানান। যাদের অধিকাংশই তাইগ্রে অঞ্চলের।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজেরিক এক বিবৃতিতে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস নির্বিচারে আটক ও গ্রেফতারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে রয়টার্সের অনুরোধে সাড়া দেননি ইথিওপিয়ার সরকারের মুখপাত্র লেগেসি তুলু। তবে দেশটির পুলিশ আগে জানিয়েছিল তারা শুধু টিপিএলএফ-এর সমর্থকদের আটক করছে, তাইগ্রের জাতিগত সম্প্রদায়ের কাউকে নয়।

আইনজীবীরা বলছেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর এক হাজার জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জাতিসংঘের বেশ কয়েকজন কর্মীও রয়েছেন। জাতিসংঘের আরেক কর্মকর্তা জানান, সংস্থাটির ১০ কর্মী ও ৩৪ জন চালক এখনও আটক আছেন। আমরা তাদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানাই।

ইথিওপিয়ায় পুরো দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় গত ২ নভেম্বর। তাইগ্রের বিদ্রোহীদের আমহারা অঞ্চলের দুটি এলাকা দখলে নেওয়ার দাবি করার পর রাজধানী আদ্দিস আবাবার দিকে অগ্রসর হওয়ার শঙ্কায় এ ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার।

ছয় মাসের জন্য জরুরি অবস্থা কার্যকর করা হয় দেশটিতে। ফলে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচল ও পণ্য পরিবহন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সামরিক বাহিনী যেসব এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সেসব এলাকায় কারফিউ জারি রয়েছে। ঘর থেকে বের হলেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছে দেশটির নাগরিকরা। কথিত সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কারো সম্পৃক্ততার সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হচ্ছে বলে আগে থেকেই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল।

এক বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছে তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) সদস্য ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবে আহমেদের সরকারি বাহিনীর মধ্যে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ