শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১১ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চলমান সহিংসতা থামাতে সংলাপের আহ্বান আফগানিস্তানের  ‘পাকিস্তানকে আরও জোরালো ও সুনির্দিষ্ট জবাব দেবে কাবুল’ আফগানরা অস্ত্র ফেলে পিছু হটছে : তাতার রমজানে সংঘাতে দুই মুসলিম দেশ, উদ্বিগ্ন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠন ছাড়া প্রকৃত সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ নাগরিকদের তেহরান ছাড়ার আহ্বান জানালো চীন বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান  ‘সঠিক সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে কাজ করছে সরকার’  ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে’ আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাও জরুরি: মাওলানা ফজলুর রহমান

আরও ৫ লাখ ৮৭ হাজার গৃহহীন পাবে সরকারি আবাসন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নতুন করে বাংলাদেশের ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায় জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করেছে সরকার। চিহ্নিত করা এসব অসহায় পরিবারের সংখ্যা ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৭। এসব পরিবারের জন্য আবাসনের লক্ষ্যে ১৪ হাজার ৬২০টি নতুন ব্যারাক নির্মাণ করবে সরকার। প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার ১৪৯টি পাকা ব্যারাক, চরাঞ্চলে ৫ হাজার ৭৮টি ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ৪ হাজার ৩৯৩টি সেমিপাকা ব্যারাক নির্মাণ করা হবে।

চলমান ‘আশ্রয়ণ-২ (চতুর্থ সংশোধিত) প্রকল্পের সময়-ব্যয় বাড়িয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলতি সময় থেকে ২০২৪ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। নতুন করে প্রকল্পের প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান  বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মানবিক সরকার। দেশের ভূমিহীন মানুষকে ঘর দেওয়ার মহাউদ্যোগ নিয়েছেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আরও মানুষকে ঘর দেওয়া হবে। যাদের জমি নেই, ভূমি নেই সেসব ভূমিহীন মানুষকে ঘর দিচ্ছে সরকার। অনেকে চায়ের কাপে নানা কথা বলে ঝড় তোলেন। কিন্তু বাস্তবতা অনেক কঠিন। সেই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে গৃহহীন পরিবারের কথা চিন্তা করছে সরকার।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পটি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এমন উদ্যোগ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের পর জুন ২০২৪ পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। চিহ্নিত পরিবারগুলোকে আবাসন দিতে বাড়তি ব্যয় হবে ৭ হাজার ৫৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা হয়। সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, বাসস্থান মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর অন্যতম। একটি নিজস্ব গৃহের মালিকানা মানুষের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। প্রকৃতপক্ষে অসহায় ব্যক্তি, যার তিনবেলা আহার জোটানোই অনিশ্চিত তার পক্ষে একটি নিজস্ব বাসগৃহের আকাঙ্ক্ষা দিবাস্বপ্নের মতো। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ভূমিহীন হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর বাসগৃহের মালিকানার স্বপ্নপূরণে তার সহৃদয়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এর উৎকৃষ্ট নিদর্শন।

‘এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূমিহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত ডিজাইন অনুযায়ী নির্মিত একটি আবাসনের মালিক হবেন। একই সঙ্গে ঋণ ও আয়বর্ধক কর্মসূচির মাধ্যমে সুযোগ পাবেন পরিবারের জীবিকা নির্বাহের। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব চিন্তাপ্রসূত এ পদক্ষেপ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ