সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদকদ্রব্য বিক্রি করে উপার্জন করা কি জায়েয? গভীর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা খুতবায় মানবপাচারের ঝুকিঁ তুলে ধরার আহ্বান ইফা মহাপরিচালকের সৌদি আরবের তিন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করল হুতিরা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা 

উইঘুরদের ওপর নিপীড়ন, চীনের সমালোচনায় ৪৩ দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জিনজিয়াংয়ে উইঘুর এবং অন্যান্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি নির্যাতন-নিপীড়নের সমালোচনা করেছে পশ্চিমের ৪৩টিরও বেশি দেশ।

দেশগুলোর দাবি, জিনজিয়াংয়ে আনুমানিক ১০ লাখ বা তার বেশি মানুষ ক্যাম্পে বন্দি হয়ে আছে। তবে কিউবাসহ কিছু দেশ অপর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জিনজিয়াংয়ে যা হচ্ছে তা চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিউবা চীনের বিরুদ্ধে আনা পশ্চিমের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। এপির বরাত দিয়ে খবরটি দিয়েছে আশাহি শিম্বন।

পশ্চিমের ওই ৪৩টি দেশের বিরুদ্ধে সহযোগিতার পরিবেশকে বিষাক্ত করার পাল্টা অভিযোগ দিয়েছে চীন। দেশটির দাবি, মানবাধিকারকে রাজনৈতিক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে দেশগুলো। এটা সংঘর্ষ উস্কে দেওয়ার কৌশল। চীনে জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন বলছেন, জিনজিয়াংয়ের জনগণের জীবন দিন দিন উন্নত হচ্ছে। চীনের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার সব চক্রান্ত ব্যর্থ হবে।

খবরে বলা হচ্ছে, জিনজিয়াংয়ের মানবাধিকার নিয়ে দেশগুলোর বিবৃতি চীন ও পশ্চিমের মধ্যে উত্তেজনা চলার প্রমাণ দেয়। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড মহামারী, বাণিজ্য এবং দক্ষিণ চীন সাগরে পদক্ষেপসহ নানা বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে টক্কর লেগেই আছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির একটি সভায় ফ্রান্সের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস ডি রিভিউয়ের পাঠ করা উইঘুর নির্যাতনের প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। জিনজিয়াং মুসলিমদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি মানবাধিকার কমিটিতে তৃতীয়বারের মতো উত্থাপন করা হল।

এর আগে ২০১৯ সালে ২৩টি দেশ যুক্তরাজ্যের পাঠ করা মানবাধিকার বিবৃতিতে স্বাক্ষর করে। ২০২০ সালে ৩৯টি দেশ জার্মানির বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছিল এবং এই বছর বিবৃতিতে আরও চারটি স্বাক্ষরকারী দেশ বেড়েছে। অন্যদিকে, কিউবাসহ কিছু দেশ চীনকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়ে আসছে।

৪৩ দেশ বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা ব্যাপকভাবে এবং নিয়মতান্ত্রিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট দেখেছি। জিনজিয়াংয়ে মুসলিমদের প্রতি নিষ্ঠুর নির্যাতন এবং অমানবিক শাস্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার চিত্রও তাদের হাতে এসেছে। দেশগুলোর বক্তব্য, চীনে ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, চলাচল, সমিতি গঠন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের পাশাপাশি উইঘুর সংস্কৃতির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে।

জাতিসংশনের প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট এবং অন্যান্য জাতিসংঘের তদন্তকারীদের কাছে অবিলম্বে জিনজিয়াংয়ে অর্থপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ প্রবেশাধিকার অনুমোদনের দাবি করেছে ৪৩ দেশ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ