রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব কে দেবেন? ওমরাহ পালনে গিয়ে জেদ্দায় আটকা পড়লেন মুশফিকুর রহিম হাজিদের সেবা দিলে পুরস্কার, কষ্ট দিলে শাস্তি: ধর্মমন্ত্রী ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জমিয়তের ‘ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ব্যর্থতার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত’ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক কাতার প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা চবিতে কওমি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী ফ্রি কোরআন শিক্ষা সম্পন্ন জাকাত কি আমরা পরিপূর্ণ আদায় করছি? এবারের নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের অর্জন কী?

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: হাইকোর্টে ৩ আসামির জামিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে স্থানীয় সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির নিহতের ঘটনায় করা মামলার আসামি ইউসুফ নবী ওরফে বাহাদুর, আব্দুল আমিন ও আজিজুল হক মানিককে তিন মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৯ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মুহা. বশির উল্লাহ, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহা. শাফায়েত জামিল, মুহা. শামীম খান, মুহা. এ কে এম নূর নবী।

আদেশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। তিনি বলেন, হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আবদুল কাদের মির্জা গ্রুপের সঙ্গে বিরোধীপক্ষ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেখানে স্থানীয় সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন অর্ধশতাধিক।

বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে মারা যান মুজাক্কির।

এ ঘটনায় মুজাক্কিরের বাবা মাওলানা নুরুল হুদা মো. নোয়াব আলী মাস্টার বাদী হয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে কারও নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। মামলাটি এখন পিবিআই তদন্ত করছে।

গত ১৩ মার্চ কাদের মির্জার অনুসারী ইকবাল বাহার ও ১৬ মার্চ সিরাজুল হককে আটক করে পুলিশ। ২১ মার্চ তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ইকবাল বাহার ও সিরাজুল হককে ব্যবসায়ী দাবি করে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।

১৮ মে ইকবাল বাহারের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন হাইকোর্ট। এরপর ৩১ মে ইকবাল বাহার ও সিরাজুল হক ওরফে আবুল হাশেমের জামিন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেন। আসামি ইউসুফ নবী ওরফে বাহাদুর, আব্দুল আমিন ও আজিজুল হক মানিক ১১ মার্চ থেকে কারাগারে রয়েছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ