আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে নতুন করে সাড়ে ১০ কোটি টিকার চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ রোববার (২৯ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়ার শুভ্র সেন্টারে উপজেলা যুবলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য টিকার ব্যবস্থা করব। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে নতুন করে সাড়ে ১০ কোটি টিকার চুক্তি হয়েছে। এ ছাড়া চীন থেকে সাড়ে সাত কোটি টিকা আনার চুক্তি করেছি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন। দেড় বছর ধরে স্কুল-কলেজ বন্ধ। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-সভাপতি রমজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার ও সদর যুবলীগ সভাপতি খলিলুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় জাহিদ মালেক জানান, এ পযর্ন্ত পৌনে দুই কোটি করোনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগামী ৪ মাসের মধ্যে ৭ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।
এদিকে, দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে করোনার টিকা দেবে সরকার। তবে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগ মাত্র ৪ শতাংশের কিছু বেশি মানুষকে পূর্ণ দুই ডোজ টিকা দিয়েছে। বর্তমান ধারায় টিকাদান কর্মসূচি চলতে থাকলে বাকি ৭৬ শতাংশকে টিকা দিতে ১০ বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।
গত বছরের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত করা হয় করোনার টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার। আর এ বিষয়টি বিশদভাবে বর্ণনা করা আছে সেখানে। দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার। এ হিসাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৩ কোটি ৫১ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দিতে চায়।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৮ কোটি মানুষকে টিকা দিতে হলে টিকার প্রাপ্তিটা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। এ ছাড়া প্রতিদিন টিকা দেওয়ার সংখ্যাও বাড়াতে হবে। বর্তমান হারে টিকা দেওয়া চলতে থাকলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৮ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনতে পারবেন না বলে অনেকে মনে করছেন।
-এটি